আপাতত বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই। বাতাসে আর্দ্রতার পরিমাণ কম থাকায় প্রচণ্ড গরম অস্বস্তির কারণ হয়ে উঠেছে। দু'এক জায়গায় সামান্য বৃষ্টিপাত হলেও আগামী দু-চার দিন দেশে বড় ধরনের বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা ক্ষীণ।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের ডিউটি ফোরকাস্টিং অফিসার জানান, আগামী দু-চার দিনের মধ্যে বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা নেই। তবে স্থানীয়ভাবে সামান্য বৃষ্টি হতে পারে।
আবহাওয়া অধিদপ্তর জানায়, পূর্ব মধ্য বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় একটি লঘুচাপ সৃষ্টি হলেও বৃস্টির সম্ভাবনা নেই। সাগরে লঘুচাপ সৃষ্টি হলে অন্যত্র বাতাসের পরিমাণ কমে যায়। বাতাস কমে গেলে আর্দ্রতার পরিমাণ কমে যায়। কয়েকদিন ধরে তাপমাত্রার বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বাতাস কমে গেছে। ফলে অসহনীয় গরম অনুভূত হচ্ছে।
দেশের যশোর ও চুয়াডাঙ্গা অঞ্চলের ওপর দিয়ে তীব্র তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। খুলনা, সাতক্ষীরা, রাজশাহী, ঈশ্বরদী, টাঙ্গাইল, ঢাকা, ফরিদপুর, মাদারীপুর, চাঁদপুর, মাইজদী কোর্ট ও ফেনী অঞ্চলে মাঝারি থেকে মৃদু তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। চলমান তাপপ্রবাহ অব্যাহত থাকতে পারে।
তাপপ্রবাহের কারণে গ্রামাঞ্চলে পাটসহ অন্যান্য ফসল মৌসুমী ফলের বাগান শুষ্কতা গ্রাস করেছে। অনাবৃষ্টির কারণে দেশের উত্তরাঞ্চলে লিচুও আমের ফলন এবার হ্রাস পেয়েছে। উত্তরাঞ্চলের পুকুর, খাল বিল ও নদী শুকিয়ে গেছে।
আবহাওয়া গবেষকরা বলছেন, এ বছর মধ্য বা দীর্ঘস্থায়ী খরায় পড়তে যাচ্ছে দেশ। বিশ্বব্যাপী জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে বঙ্গোপসাগরের যে এল-নিনোর প্রভাব শুরু হয়েছে তাতে করে বাংলাদেশে মধ্য বা দীর্ঘস্থায়ী খরার পূর্বাভাস লক্ষ্য করা যাচ্ছে। বৈশাখ মাস থেকে যে তাপপ্রবাহ শুরু হয়েছে তা জ্যৈষ্ঠ মাসের শেষ অবদি থাকবে।
এদিকে পূর্ব-মধ্য বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থানরত নিম্নচাপটি উত্তর-পূর্ব দিকে সরে গিয়ে একই এলাকায় অবস্থান করছে।
নিম্নচাপের প্রভাবে দেশের কয়েক জায়গায় বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনার কথা বলা হলেও কোন বৃষ্টিই হয়নি। অবস্থা এমন দাঁড়িয়েছে, আবহাওয়ার পুর্বাভাসও কাজে আসছে না। আবহাওয়া দপ্তরের হিসাব অনুযায়ী বৈশাখ মাসে দেশে প্রায় ৮০ ভাগ কম বৃষ্টিপাত হয়েছে। জ্যৈষ্ঠ্য মাস শুরু হওয়ার এক সপ্তাহ পেরিয়ে গেলেও বৃষ্টিপাতের কোন লক্ষণই দেখা যাচ্ছে না। এ মাসেও বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা খুব কম বলে ধারণা করছেন আবহাওয়াবিদরা।
আবহাওয়া অধিদফতরের (বিএমডি) পরিচালক মোহাম্মদ শাহ আলম বলেন, এল-নিনোর প্রভাবে এই তাপপ্রবাহ শুরু হয়েছে। এটা আরও বেশ কিছুদিন চলবে। তিনি আরো বলেন, দেশের উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে যে বাতাস বয়ে আসে তা মূলত ঠান্ডা হয়। দক্ষিণ থেকে আসে আদ্রতা মিশ্রিত বাতাস। কিন্তু এল-নিনোর প্রভাবে উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঠান্ডা বাতাস বা দক্ষিণ থেকে আদ্রতা মিশ্রিত বাতাস কোনোটাই আসছে না। হিমালয়ের ওপর দিয়ে চলে যাচ্ছে। যে কারণে তাপমাত্রা বেড়ে অসহনীয় হয়ে উঠেছে।
[b]ঢাকা, ২৩ মে (টাইমনিউজবিডি.কম) // জেআই[/b]
বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই
আপাতত বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই। বাতাসে আর্দ্রতার পরিমাণ কম থাকায় প্রচণ্ড গরম অস্বস্তির কারণ হয়ে উঠেছে। দু'এক জায়গায় সামান্য বৃষ্টিপাত হলেও আগামী দু-চার দিন দেশে বড় ধরনের বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা ক্ষীণ। আবহাওয়া অধিদপ্তরের ডিউটি ফোরকাস্টিং অফিসার জানান,
আরও শক্তিশালী রূপ নিয়েছে ঘূর্ণিঝড় ‘অর্ণব’, যে প্রভাব পড়তে পারে বাংলাদেশে
বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত প্রবল ঘূর্ণিঝড় ‘অর্ণব’ আরও শক্তিশালী হয়ে অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হয়েছে। ঘূর্ণিঝড়টি বর্তমানে পশ্চিম-মধ্য বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে। এর প্রভাবে দেশের চার সমুদ্রবন্দর চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রাকে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে।
ঘূর্ণিঝড় অর্ণব অতিপ্রবল হয়ে অন্ধ্র উপকূলে আঘাত হানতে পারে বুধবার
বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড় ‘অর্ণব’ আরও শক্তিশালী হয়ে অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিতে পারে। এরপর আগামী বুধবার (২৮ অক্টোবর) ভারতের অন্ধ্র উপকূল অতিক্রম করতে পারে ঘূর্ণিঝড়টি। এদিকে ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে দেশের চার সমুদ্রবন্দরকে ২ নম্বর দূরবর্তী হুঁশিয়ারি সংকেত দেখিয়ে যেতে বলেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।
বঙ্গোপসাগরে গভীর নিম্নচাপ, ঘূর্ণিঝড়ের নাম হতে পারে ‘অর্ণব’
পূর্বমধ্য ও সংলগ্ন দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত নিম্নচাপটি ঘনীভূত হয়ে গভীর নিম্নচাপে পরিণত হয়েছে। এটি আরও ঘনীভূত হয়ে ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিতে পারে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হলে এর নাম হবে ‘অর্ণব’, যা প্রস্তাব করেছে বাংলাদেশ।
বঙ্গোপসাগরের নিম্নচাপ রূপ নিতে পারে ঘূর্ণিঝড়ে
বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট লঘুচাপটি আরও ঘনীভূত হয়ে ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিতে পারে। এর প্রভাবে রোববার (২৫ অক্টোবর) থেকে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। আবহাওয়াবিদদের ধারণা, ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিলে এটি ভারতের ওড়িশা অথবা অন্ধ্রপ্রদেশ উপকূলে আঘাত হানতে পারে।
বঙ্গোপসাগরে ঘূর্ণিঝড়ের শঙ্কা, ভারি বৃষ্টির পূর্বাভাস বাংলাদেশে
মধ্য বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট লঘুচাপটি ক্রমে শক্তিশালী হচ্ছে। আগামী দুই থেকে তিন দিনের মধ্যে এটি নিম্নচাপ, গভীর নিম্নচাপ পেরিয়ে ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিতে পারে। প্রাথমিক পূর্বাভাস অনুযায়ী, সম্ভাব্য ঘূর্ণিঝড়টি ভারতের পূর্ব উপকূলে আঘাত হানতে পারে। বাংলাদেশে সরাসরি আঘাত হানার আশঙ্কা আপাতত কম থাকলেও এর প্রভাবে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ভারি থেকে অতিভারি বৃষ্টিপাত হতে পারে।
















