বুধবার জাতীয় সংসদে পয়েন্ট অব অর্ডারে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হয়। অতি বর্ষণে চট্টগ্রামে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে। পাহাড় ধসে হতাহতের ঘটনাও ঘটেছে।
আসরের বিরতির আগে চট্টগ্রাম-১৩ আসনের (বিএনপি) সংসদ সদস্য সরওয়ার জামাল নিজাম বলেন, গত চারদিনের বৃষ্টিতে আমার নির্বাচনি এলাকার আনোয়ারা ও কর্ণফুলী সয়লাব হয়ে গেছে। মানুষ অবস্থা অসম্ভব খারাপ।
আসরের বিরতির পরে পয়েন্ট অব অর্ডারে শাহজাহান চৌধুরী বলেন, বিশেষ করে আমার লোহাগাড়া, সাতকানিয়া, বাঁশখালী, চন্দনাইশ, পটিয়া, আনোয়ারা, কর্ণফুলী এবং আমাদের মাননীয় অর্থমন্ত্রীর এলাকার মানুষ পানিতে ভাসছে। মানুষের অসম্ভব কষ্ট হচ্ছে। এমন অবস্থায় নারী, শিশু, বৃদ্ধসহ অসহায় মানুষদের শুকনো খাবার দেওয়ার জন্য। যেখানে নদী ভেঙেছে, সেখানে অতিদ্রুতভাবে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীদের কাছে আর্জিটা তুলে ধরেছি।
জামায়াতের এমপি মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম বলেন, জলাবদ্ধতা দূরীকরণে ২০১৭ সালে চট্টগ্রাম মহানগরীর নিয়ে প্রকল্প গৃহীত হয়েছিল। কিন্তু ৯ বছর পরেও এখনো জলাবদ্ধতা যাচ্ছে না। দুঃখজনক হচ্ছে ওখানে সমন্বয়হীনতা বেশি কাজ করে।
সমস্যার সমাধানে ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয়, কৃষি মন্ত্রণালয় ও প্রকৌশল বিভাগকে সমন্বিতভাবে কাজ করার অনুরোধ করেন তিনি। তিনি বলে, সুয়েজ গেট, খাল খনন ও ড্রেনেজের মত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো চিহ্নিত করে সমন্বিতভাবে সব দুর্গত এলাকায় কাজ করা হলে স্থায়ী সমাধান হবে।
পরে ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু বলেন, গত কয়েকদিন যাবৎ বৃহত্তর চট্টগ্রাম ও পাহাড়ি অঞ্চলে প্রচুর বৃষ্টিপাত হওয়ার জন্য প্লাবিত হয়েছে। আমরা গতকালকে প্রত্যেকটি জেলায় ২০০ মেট্রিক টন চাল ও ১০ লাখ টাকা করে বরাদ্দ দিয়েছি। কিছু প্যাকেটজাত শুকনো খাবার রয়েছে, ওগুলো বিতরণ করতে বলেছি। প্রতিনিয়ত জেলা প্রশাসকদের সঙ্গে কথা বলছি, তারা সংসদ সদস্যদের পরামর্শক্রমে বিতরণ করবেন।
এমএম