বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় অধিবেশনের ১৫তম দিনে বাজেট আলোচনায় অংশ নিয়ে এসব কথা বলেন জামায়াত এমপি।
শফিকুল ইসলাম মাসুদ বলেন, সংসদীয় দলের নেতা স্বাস্থ্য ও শিক্ষাকে অগ্রাধিকার দেওয়ার কথা বলেছিলেন। বাজেটে বরাদ্দ বাড়ানো হলেও একই সময়ে একটি মানবিক হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিল করা হয়েছে। তিনি বলেন, ৭০০ শয্যার ওই হাসপাতালে ১৮০টি বেড বিনামূল্যে রাখা হতো, প্রতিদিন গড়ে ২৩টি স্বাভাবিক প্রসবের ব্যবস্থা করা হতো এবং অসংখ্য রোগী ও তাদের স্বজনদের বিনামূল্যে খাবার দেওয়া হতো।
আদ্-দ্বীন হাসপাতালে ছয় শিশুর মৃত্যুর প্রসঙ্গ তুলে শফিকুল ইসলাম বলেন, ঘটনাটি নিঃসন্দেহে দুর্ভাগ্যজনক। তবে ৩০০ শিশু হামে মারা যাওয়ার ঘটনায় স্বাস্থ্যমন্ত্রী কখনও পদত্যাগের কথা ভেবেছেন কি না, সেই প্রশ্নও তিনি সংসদে উত্থাপন করেন।
আদ্-দ্বীন উইমেন্স মেডিকেল কলেজের ডিগ্রি জটিলতার বিষয়ে শফিকুল ইসলাম বলেন, বর্তমানে সেখানে প্রায় এক হাজার শিক্ষার্থী পড়াশোনা করছেন। তাদের মধ্যে প্রায় আড়াইশ বিদেশি শিক্ষার্থী রয়েছেন। অথচ তারা বিভিন্ন দপ্তরে ঘুরেও সমস্যার সমাধান পাচ্ছেন না।
শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘যেখানে বহির্বিশ্বের সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক উন্নয়নের একটি মাধ্যম হতে পারে এই শিক্ষার্থীরা, সেখানে তারা দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন। এতে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে এবং বিদেশে আমাদের সম্পর্কে ভালো বার্তা যাচ্ছে না।’
জামায়াত এমপি বলেন, শিক্ষার্থীরা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সাক্ষাতের সুযোগ পর্যন্ত পাচ্ছেন না। সচিব মহোদয়ের কাছে সুযোগ নেই, মহাপরিচালকের কাছে সুযোগ পাওয়া যাচ্ছে না, স্বাস্থ্যমন্ত্রীর কাছেও তারা যেতে পারছেন না। এই শিক্ষার্থীরা কোথায় যাবে, সেই বিষয়টি আমাদের বিবেচনা করা উচিত।
এমএম