জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল, সাবেক এমপি ও লংমার্চ বাস্তবায়ন কমিটির আহ্বায়ক মিয়া গোলাম পরওয়ারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় সংগঠনের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল, সাবেক এমপি ও ১১ দলীয় ঐক্যের সমন্বয়ক ড. এএইচএম হামিদুর রহমান আযাদ, রংপুর-দিনাজপুর অঞ্চল পরিচালক মাওলানা আবদুল হালিম, প্রচার ও মিডিয়া সেক্রেটারি অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের, কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য মোবারক হোসাইন, ঢাকা মহানগরী উত্তরের সেক্রেটারি ড. রেজাউল করিমসহ কেন্দ্রীয় ও মহানগরীর বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
এ ছাড়া কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় সভাপতি অ্যাডভোকেট আতিকুর রহমান, অ্যাডভোকেট হেলাল উদ্দিন, কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য ও ঢাকা মহানগরী উত্তরের সহকারী সেক্রেটারি ডা. ফখরুদ্দিন মানিক ও ইয়াছিন আরাফাত, পরিকল্পনাবিদ ইঞ্জিনিয়ার সিরাজুল ইসলাম, ছাত্রশিবিরের সেক্রেটারি জেনারেল সিবগাতুল্লাহ সিবগা, অধ্যাপক সাইফুল্লাহ মানছুরসহ স্বাস্থ্য ও আইটি বিভাগের দায়িত্বশীলরা উপস্থিত ছিলেন।
সভায় ঢাকা-রংপুর লংমার্চের সার্বিক প্রস্তুতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। বিভিন্ন বিভাগের দায়িত্বশীলদের প্রস্তুতি পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেন মিয়া গোলাম পরওয়ার।
লংমার্চের উদ্বোধনী সমাবেশে লাখো নেতাকর্মীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে দলের শাখাগুলোকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
দলটির পক্ষ থেকে জানানো হয়, গণভোটের গণরায় বাস্তবায়ন, জুলাই গণহত্যার বিচার, বিদ্যুৎ, তেল, গ্যাস ও সার সংকট নিরসন, নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের ঊর্ধ্বগতি রোধ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন, দুর্নীতি, চাঁদাবাজি ও দখলদারি রোধ এবং প্রশাসনের সর্বস্তরে সংকীর্ণ দলীয়করণ বন্ধের দাবিতে এ লংমার্চ অনুষ্ঠিত হবে।
১৯ সেপ্টেম্বর সকাল ৭টা থেকে রাজধানীর মানিক মিয়া এভিনিউয়ে উদ্বোধনী সমাবেশ শুরু হবে এবং সকাল ৮টা পর্যন্ত চলবে। এরপর লংমার্চের বহর রংপুরের উদ্দেশে যাত্রা করবে। পথে গাজীপুর, টাঙ্গাইল, সিরাজগঞ্জ, বগুড়া ও গাইবান্ধায় পাঁচটি পথসভা অনুষ্ঠিত হবে। পরে রংপুর জিলা স্কুল মাঠে সমাপনী সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে।
জনগণের ন্যায্য দাবি আদায়ে লংমার্চ সফল করতে দেশবাসী ও সর্বস্তরের নেতাকর্মীদের স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ ও ভূমিকা পালনের আহ্বান জানিয়েছেন জামায়াত নেতৃবৃন্দ।
একই সঙ্গে লংমার্চ শান্তিপূর্ণ ও সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন করতে সব রাজনৈতিক দল, সরকার, সিভিল প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসন, ট্রাফিক বিভাগ, সড়ক বিভাগসহ সংশ্লিষ্ট সব মহলের সহযোগিতা কামনা করা হয়েছে।
এস
