মঙ্গলবার এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, বিএসএফের এ ধরনের কর্মকাণ্ড বেআইনি, অন্যায় এবং কূটনৈতিক শিষ্টাচারবহির্ভূত। তার দাবি, ভারত সরকার তাদের নাগরিকদের বাংলাদেশে পুশ-ইনের মাধ্যমে ভারতের সংবিধান, আন্তর্জাতিক আইন এবং জাতিসংঘের মানবাধিকার সনদের নীতিমালা লঙ্ঘন করছে। আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলো এ বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করলেও ভারত সরকার তা আমলে নিচ্ছে না বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

বিবৃতিতে বলা হয়, ঠাকুরগাঁওয়ের হরিপুর উপজেলার মশালগাঁও সীমান্ত দিয়ে ১১ জন ভারতীয় নারী, পুরুষ ও শিশুকে বাংলাদেশে ঠেলে দেওয়ার চেষ্টা করা হলে বিজিবি তা প্রতিহত করে। তাদের মধ্যে একজন ৯ মাসের গর্ভবতী নারী এবং একজন প্রতিবন্ধী শিশুও রয়েছে। বর্তমানে তারা ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তের শূন্যরেখায় অবস্থান করছে বলে দাবি করা হয়।

এছাড়া পঞ্চগড়ের হাড়িভাসা সীমান্ত দিয়ে আরও ১০ জন ভারতীয় নাগরিককে বাংলাদেশে পাঠানোর চেষ্টা করা হয়েছিল বলে বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়। একই সঙ্গে কুড়িগ্রাম, মেহেরপুর, শেরপুরসহ দেশের প্রায় ১১টি জেলার বিভিন্ন সীমান্ত দিয়ে মোট ৩২০ জন ভারতীয় নাগরিককে বাংলাদেশে পাঠানোর অপচেষ্টা চালানো হয়েছে বলেও অভিযোগ করা হয়।

মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, বিজিবি, আনসার-ভিডিপি এবং স্থানীয় জনগণের সতর্ক অবস্থানের কারণে একাধিকবার এসব চেষ্টা ব্যর্থ হয়েছে। তিনি আরও দাবি করেন, এ বিষয়ে বাংলাদেশ সরকার একাধিকবার ভারতের কাছে চিঠি পাঠালেও এখন পর্যন্ত কোনো জবাব পাওয়া যায়নি।

জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল বলেন, বাংলাদেশের জনগণ কোনো অবস্থাতেই বিদেশি চাপের কাছে নতিস্বীকার করবে না। তিনি সীমান্তে এ ধরনের কার্যক্রম বন্ধ করে প্রতিবেশীসুলভ ও বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে ভারতীয় আগ্রাসী তৎপরতার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় কূটনৈতিক পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য বাংলাদেশ সরকারের প্রতি আহ্বান জানান।