তখন মাঠে উপস্থিত একাধিক ব্যক্তি হাত তোলেন। তার মধ্যে থেকে একজনকে মঞ্চে আনা হয় এবং তারেক রহমান তাকে জিজ্ঞাসা করেন- আপনি কাবা শরীফে গেছেন? কাবা শরীফের মালিক কে? তখন ওই ব্যক্তি বলেন- আল্লাহ, আল্লাহ।

বৃহস্পতিবার দুপুরে সিলেট আলিয়া মাদ্রাসা মাঠে নির্বাচনি সমাবেশে এসব কথা বলেন তিনি।

তারেক রহমান আরও বলেন, আমরা সবাই মুসলমান। এই দিন-দুনিয়ার যা দেখি, এই পৃথিবীর মালিক কে? তখন হজকারী ব্যক্তি বলেন-আল্লাহ। এই সূর্য, নক্ষত্র যা দেখি তার মালিক কে? আল্লাহ। বেহেশতের মালিক কে? আল্লাহ।

তারেক রহমান বলেন, আপনারা সবাই সাক্ষী দিলেন- দোযখ, বেহেশতের মালিক আল্লাহ। এই পৃথিবী, কাবার মালিক আল্লাহ। আরে ভাই যেটার মালিক আল্লাহ, সেটা কি অন্য কেউ দেওয়ার ক্ষমতা রাখে? রাখে না। তাহলে কি দাড়ালো? নির্বাচনের আগেই একটি দল এই দিবো, ওই দেবো, বেহেস্তের টিকিট দিবো, বলছে না?

তিনি আরও বলেন, যেটার মালিক মানুষ না, সেটার কথা যদি সে বলে, তাহলে কি শিরক করা হচ্ছে, হচ্ছে না? যার মালিক আল্লাহ, যার অধিকার শুধু মাত্র আল্লাহর। কাজেই আগে তো আপনাদের ঠকাচ্ছে। নির্বাচনের পরে কেমন ঠকাবেন, এবার বোঝেন। শুধু ঠকাচ্ছে না, যারা মুসলমান তাদেরকে শিরক করাচ্ছে, নাউজুবিল্লাহ।

তারেক রহমান আরও বলেন, একটি দলের নেতারা বলছেন অমুককে দেখেছি, তমুককে দেখেছি। এবার একে দেখেন। ১৯৭১ সালের যুদ্ধে লক্ষ মানুষের প্রাণের বিনিময়ে আমরা এই দেশ স্বাধীন করেছি। সেই সময় অনেকের ভূমিকা আমরা দেখেছি। যাদের ভূমিকার কারণে লাখ লাখ মানুষ শহীদ হয়েছে। মা-বোনরা সম্মাম হারিয়েছে। কাজেই তাদেরকে বাংলাদেশের মানুষ দেখে নিয়েছে।

বিএনপির শীর্ষ এই নেতা বলেন, এখন টুফরির বিরুদ্ধে, হটকারিতায় বিরুদ্ধে, এই মিথ্যার বিরুদ্ধে আমাদেরকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। আমরা দেশকে স্বৈরাচার মুক্ত করেছি। এখন মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে হবে।

এনএইচ