গতকাল বৃহস্পতিবার সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন। এদিন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান ও প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন ঢাকায় নিযুক্ত ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুক। সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে সরকারের অবস্থান তুলে ধরেন।
তিনি বলেন, এটি দলীয় নির্বাচন নয়। ফলে এখানে দলীয় মনোনয়ন বা দলীয় প্রতীক থাকবে না। আইনানুযায়ী বৈধ প্রার্থী হিসেবে যোগ্য যে কেউ নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, দলীয়ভাবে নির্বাচনে অংশগ্রহণের সুযোগ না থাকলেও স্থানীয়ভাবে বিএনপি সমর্থন দেবে। উপজেলা বিএনপি সিদ্ধান্ত নেবে সংশ্লিষ্ট ইউনিয়নে দল-সমর্থিত প্রার্থী কে হবেন। দলের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী পর্যায় থেকে স্থানীয় বিএনপিকে সর্বোচ্চ চেষ্টা করে সব ইউনিয়নে একক সমর্থিত প্রার্থী রাখার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
আওয়ামী লীগসহ বিভিন্ন দলের নেতাকর্মীরা দলীয় প্রতীক ছাড়া নির্বাচনে অংশ নিলে বিএনপির অবস্থান কী হবেÑএমন প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী বলেন, বিএনপি এই নির্বাচনে আলাদা কোনো অবস্থান নেবে না। সরকারের দায়িত্ব হবে নির্বাচন কমিশনকে অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন আয়োজনের জন্য সহযোগিতা করা।
তিনি বলেন, বৈধ প্রার্থী হিসেবে যারা নির্বাচনে অংশ নেবেন, তাদের নিরাপত্তা দেওয়া এবং যাতে সঠিকভাবে প্রচার চালাতে পারেন, সে বিষয়ে নির্বাচন কমিশনকে স্থানীয় ও কেন্দ্রীয় প্রশাসন সহযোগিতা করবে।
আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের এই নির্বাচনের মাধ্যমে আবার রাজনীতিতে ফেরার সুযোগ তৈরি হবে কি নাÑএ প্রশ্নের জবাবে মীর শাহে আলম বলেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচনের সঙ্গে বিষয়টির সম্পর্ক তিনি দেখছেন না।
প্রতিমন্ত্রী আরো বলেন, সরকারের বার্তা স্পষ্টÑআইনানুযায়ী যোগ্যতা থাকা সব বৈধ প্রার্থীই নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন। অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিত করতে যা যা প্রয়োজন, সরকার তা করবে। এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সরাসরি নির্দেশনা রয়েছে।
এমএম
