তিনি বলেন, যারা চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে কথা বলে না, তারাই চাঁদাবাজদের লালন-পালন করে। যারা সন্ত্রাসী, মাদক ব্যবসায়ী ও ধর্ষকদের বিরুদ্ধে সোচ্চার নয়, তারা এদেরই গডফাদার।

শুক্রবার (৩১ অক্টোবর) বাউফল উপজেলার কালিশুরী ইউনিয়নের পোনাহুরা এলাকায় নিজস্ব অর্থায়নে গভীর নলকূপ স্থাপন উপলক্ষে স্থানীয়দের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

ড. মাসুদ বলেন, গত ১৫ বছর জামায়াতে ইসলামীকে জনগণের কাছে যেতে দেওয়া হয়নি, তবুও জামায়াত একটি দিনও সামাজিক সেবা কার্যক্রম বন্ধ করেনি। তিনি জানান, আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে রাজনৈতিক নির্যাতনের কারণে তিনি নিজ বাড়িতে রাত কাটাতেও পারেননি। “মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠা এবং ন্যায়ভিত্তিক সমাজ গড়ার আন্দোলনে সম্পৃক্ত থাকাই আমার অপরাধ ছিল,” মন্তব্য করেন তিনি।

তিনি আরও বলেন, বাউফল কারও ব্যক্তিগত সম্পত্তি নয়। বাউফলবাসীকে সঙ্গে নিয়ে এই উপজেলাকে নতুন বাংলাদেশের মডেল হিসেবে গড়ে তুলতে চাই। দলমত, ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবাইকে একসঙ্গে এগিয়ে আসতে হবে।

পূর্বের জনপ্রতিনিধিদের সমালোচনা করে তিনি বলেন, অনেকেই ক্ষমতায় বসে পরিবারতন্ত্র ও দলীয় স্বার্থকে প্রাধান্য দিয়েছে। উন্নয়ন প্রকল্পের নামে সরকারি অর্থ দলীয় স্বার্থে ভাগ-বাটোয়ারা করা হয়েছে। এখন সে সময় শেষ।

জাতীয় নির্বাচন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, যদি নির্বাচনের দিন গণভোট মানা হয়, তবে আগে গণভোট করলে আপত্তি কোথায়? জনগণকে ধোকায় রাখার দিন শেষ।

জুলাই সনদ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, জুলাই সনদের আইনি ভিত্তি প্রতিষ্ঠা হলে ফ্যাসিবাদের পথ বন্ধ হবে। এতে একদলীয় শাসন প্রতিষ্ঠার সুযোগ থাকবে না। তাই একটি দল গণভোটে ‘না’ ভোট দেওয়ার নির্দেশনা দিতে শুরু করেছে।

সরকার ও সংশ্লিষ্ট মহলের প্রতি তিনি আহ্বান জানান, জনগণের মতামতকে মর্যাদা দিন। জনগণ চাইলে নভেম্বরের মধ্যেই গণভোট এবং জুলাই সনদের ভিত্তিতে ফেব্রুয়ারিতে জাতীয় সংসদ নির্বাচন করা সম্ভব।

এনএইচ