জানেন কি, আপনার কিছু ব্যবহারের ভুলেই ল্যাপটপের আয়ু কমছে। আসুন জেনে নিন কী কী ভুলে ল্যাপটপ নষ্ট হচ্ছে। কোন কাজগুলো না করলে দীর্ঘদিন ল্যাপটপ ভালো থাকবে-

১. ল্যাপটপ ক্রমাগত চার্জ করলে ব্যাটারির ক্ষতি হতে পারে। তবে খেয়াল রাখতে হবে ব্যাটারির চার্জ যেন ২০ শতাংশের নিচে না যায়। ৮০-৯০ শতাংশ পর্যন্ত চার্জ হয়ে গেলে চার্জারটি খুলে ফেলতে হবে।

২. ব্যাটারির আয়ু এবং স্বাস্থ্য বজায় রাখার জন্য সর্বদা কোম্পানির দেওয়া আসল চার্জার ব্যবহার করতে হবে। কারণ লোকাল চার্জারগুলো ভুলভাল ভোল্টেজ দিয়ে ব্যাটারির ক্ষতি করে দিতে পারে।

৩. ব্যাটারির সবচেয়ে বড় শত্রু হলো তাপ। সব সময় সমতল বা ফ্ল্যাট এবং হার্ড সারফেসের উপর ব্যবহার করতে হবে, যাতে বায়ু চলাচল সঠিকভাবে হয়। অন্যদিকে বিছানা বা কম্বলের উপর রেখে এটি ব্যবহার করলে এর তাপ বৃদ্ধি পেতে পারে।

৪. ল্যাপটপে পাওয়ার সেভার মোড বা ব্যাটারি সেভার মোড চালু করে রাখতে হবে। এতে ব্যাটারির উপর লোড বা চাপ কমবে এবং আরও ব্যাকআপ পাওয়া যাবে।

৫. কখনো কখনো কিছু অপ্রয়োজনীয় অ্যাপ এবং সফটওয়্যার ব্যাকগ্রাউন্ডে চলতে থাকে। ফলে ব্যাটারির চার্জ শেষ হয়ে যেতে থাকে। টাস্ক ম্যানেজারে এগুলো বন্ধ করে রাখলে ব্যাটারির আয়ু আরও বৃদ্ধি পায়।

৬. ল্যাপটপ স্ক্রিনের ব্রাইটনেস যত বেশি হবে, ব্যাটারি তত দ্রুত ডিসচার্জ হয়ে যাবে। নিজের প্রয়োজন অনুযায়ী ব্রাইটনেস অ্যাডজাস্ট করতে হবে।

৭. যখন প্রয়োজন নেই, তখন ওয়াই-ফাই এবং ব্লুটুথ বন্ধ রাখতে হবে। এগুলি অনবরত ব্যাটারি পাওয়ার ব্যবহার করে চলে।

৮. ল্যাপটপের ব্যাটারি বারবার ০ শতাংশ ডিসচার্জ করে দিলে ব্যাটারি লাইফ কমে যায়। ব্যাটারির চার্জ ২০-৩০ শতাংশ হয়ে যাওয়ার আগেই তা চার্জ করার চেষ্টা করতে হবে।

৯. কয়েক মাস অন্তর ব্যাটারি সম্পূর্ণ চার্জ করতে হবে এবং তারপর সম্পূর্ণ রূপে তা ডিসচার্জ করতে হবে। আসলে এটি ব্যাটারি সেন্সর সঠিক ডাটা প্রদর্শন করছে এবং ব্যাটারির স্বাস্থ্য বজায় রাখছে কি না, সেই বিষয়ে সীলমোহর দেয়।

১০. ল্যাপটপের অপারেটিং সিস্টেম এবং ড্রাইভার আপডেট করে রাখলে ব্যাটারির ইউসেজ আরও ভালো হবে।

এমএম