সকালে স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা নিবেদন এবং শেরে বাংলানগরে বাবা-মায়ের কবর জিয়ারতের পর জাতীয় প্যারেড গ্রাউন্ডে স্বাধীনতা দিবসে কুচকাওয়াজে অংশ নেন প্রধানমন্ত্রী। কিন্তু বিকেলে হঠাৎ করেই ঢাকা জাতীয় স্টেডিয়ামে হাজির হন তিনি।
মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে বৃহস্পতিবার বিকেল সাড়ে ৩টায় ঢাকা জাতীয় স্টেডিয়ামে প্রীতি ম্যাচে মুখোমুখি হওয়ার কথা সাবেক ফুটবলারদের।
লাল দল ও সবুজ দল—এই দুই ভাগে ভাগ হয়ে তারা মাঠে নামবেন লড়াইয়ে। নির্ধারিত সময়ে দুই দল মাঠে হাজির হয়। ডাগআউটে প্রস্তুতি নিচ্ছিল খেলা শুরুর জন্য। এমন সময়ই হঠাৎ মাঠে প্রবেশ করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। মাঠে আসার জন্য তার কোনো সূচি নির্ধারিত ছিল না। এমনকি তিনি যে মাঠে আসছেন, এমন কথাও আগে থেকে কেউ জানায়নি। তার সঙ্গে ছিলেন কন্যা ব্যারিস্টার জাইমা রহমান এবং যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক।
স্টেডিয়ামের ভিআইপি গেট দিয়ে ঢুকে প্রধানমন্ত্রী চলে যান ডাগআউটে। সেখানে গিয়ে খেলোয়াড়দের সঙ্গে পরিচিত হন। কুশল বিনিময় করেন। এরপর স্টেডিয়ামে স্থাপিত অ্যাথলেটিক ট্র্যাকের ওপর দিয়ে পুরো মাঠ প্রদক্ষিণ করেন তিনি। পরে গিয়ে বসেন ভিআইপি লাউঞ্জে।
দায়িত্ব নেয়ার পর তারেক রহমান প্রথম ক্রীড়াঙ্গনের কোনো অনুষ্ঠানে আসলেন। তবে সেটা পূর্ব নির্ধারিত নয়। পরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান লাল দল ও সবুজ দলের খেলা উপভোগ করেন।
এমএম