মঙ্গলবার (২৬ মে) বিকেলে পাঁচ দিনের সফরে ভোলায় এসে সার্কিট হাউসে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এসব কথা বলেন।
স্পিকার বলেন, “বাংলাদেশের অর্থনীতির বর্তমান অবস্থা ও ভবিষ্যৎ দিকনির্দেশনা এই বাজেট অধিবেশনের মাধ্যমে জনগণের সামনে উঠে আসবে। আমি আশা করি, সরকারি দল ও বিরোধী দল মিলে এমন একটি বাজেট উপহার দেবে, যা মানুষের জীবনে আরও স্বস্তি নিয়ে আসবে।”
তিনি আরও বলেন, “আমরা আশা করি, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে রাখতে সরকার কার্যকর পদক্ষেপ নেবে। একই সঙ্গে উন্নয়ন কর্মকাণ্ড আরও ত্বরান্বিত হবে।”
বিদেশি বিনিয়োগের প্রসঙ্গ টেনে স্পিকার বলেন, বাজেট অধিবেশনের পর দেশের অর্থনীতির প্রকৃত চিত্র সামনে আসবে এবং এতে বিদেশি বিনিয়োগকারীরাও বাংলাদেশে বিনিয়োগে আগ্রহী হবেন।
বিরোধী দলের ভূমিকা নিয়ে তিনি বলেন, “সরকারি দল বাজেট দেবে, বিরোধী দল সমালোচনা করবে—এটাই গণতন্ত্রের সৌন্দর্য। তবে গঠনমূলক সমালোচনাকে আমরা স্বাগত জানাই। আমি দেখব, বিরোধী দল যেন তাদের দায়িত্ব পালনের জন্য পর্যাপ্ত সময় পায়।”
তিনি জানান, আগের অধিবেশনগুলোতেও সরকারি ও বিরোধী দলের মধ্যে সহযোগিতাপূর্ণ পরিবেশ ছিল এবং এবারও সেই ধারা অব্যাহত থাকবে বলে আশা করছেন।
স্পিকার আরও বলেন, বর্তমান জাতীয় সংসদ জনগণের প্রত্যাশা পূরণে সক্ষম হয়েছে এবং ভবিষ্যতে আরও কার্যকর ভূমিকা রাখবে বলে তিনি বিশ্বাস করেন।
সবাইকে ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়ে তিনি বলেন, “গত কয়েক বছর আমরা ভয়ের আবহে ঈদ উদযাপন করেছি। রাজনৈতিক কর্মীরা নানা ধরনের নির্যাতন ও হয়রানির শিকার হয়েছেন। তবে এখন নির্বাচিত বিএনপি সরকার তিন মাস ধরে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্বে রয়েছে। আশা করি, সেই ভয়ের পরিবেশ অনেকটাই কেটে গেছে এবং এবারের ঈদ মানুষের জন্য স্বস্তির হবে।”
এ সময় ভোলার জেলা প্রশাসক ডা. শামীম রহমান, জেলা পরিষদ প্রশাসক গোলাম নবী আলমগীর, পুলিশ সুপার মো. শহিদুল্লা কাওছারসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
এস