নিয়োগ বাণিজ্যে জড়িত থাকার দায়ে চাকরিচ্যুত করা হয়েছে চবির বিজ্ঞান ওয়ার্কশপের সহকারী যন্ত্র প্রকৌশলী (ইলেকট্রিক্যাল/ইলেকট্রনিকস) হাদী মো. রশিদকে।

জানা যায়, হাদী মো. রশিদের বিরুদ্ধে নিয়োগ বাণিজ্যের অভিযোগ দীর্ঘদিনের। সাবেক ভিসি শিরীণের আমল থেকেই তার বিরুদ্ধে তদন্ত চলে আসলেও অজানা কারণে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া যায়নি।

এছাড়া অনুমতি ছাড়া বিদেশ ভ্রমণের দায়ে দুই শিক্ষককে চাকরিচ্যুত করা হয়েছে। তারা বলেন, অর্থনীতি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক শান্তনু দেব্বর্মন ও লোকপ্রশাসন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক রিফাত দারিনা কামাল।

শান্তনু দেব্বর্মন ২০১৭ সালে স্কলারশিপ নিয়ে পিএইচডির জন্য পাড়ি জমান কানাডায়। ২০২৩ সালের ৩ জানুয়ারি তার ছুটির মেয়াদ শেষ হলেও বিভাগে যোগ দেননি তিনি।

রিফাত দারিনা কামাল ২০১৯ সালের ১৫ জুলাই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ছুটি নিয়ে পিএইচডি ডিগ্রির জন্য কানাডায় যান। তার ছুটির মেয়াদ ২০২২ সালের ১৪ জুলাই শেষ হয়। তিনিও আর নিজ বিভাগে যোগদান করেননি।

চবির উপ-উপাচার্য (অ্যাকাডেমিক) অধ্যাপক ড. শামীম উদ্দিন খান গণমাধ্যমকে বলেন, তাদের চাকরি ফিরে পাওয়ার আর কোনো সুযোগ নেই। এর মধ্যে দুই শিক্ষক আর বিশ্ববিদ্যালয়ের যোগদান করবেন না বলেই মূলত কোনো রেসপন্স করেননি।

ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. সাইফুল ইসলাম যুগান্তরকে বলেন, দীর্ঘ প্রক্রিয়া অনুসরণ করে দুই শিক্ষককে চাকরিচ্যুত করা হয়েছে। তাদেরকে একাধিকবার চিঠি দেওয়া হয়েছে। পত্রিকায় বিজ্ঞাপন দেওয়া হয়েছে। গত সিন্ডিকেটে সিদ্ধান্ত হয়েছিলো ৩০ দিনের মধ্যে যোগদান করার বিষয়ে বলার জন্য। তারা তবুও ফেরেননি।

এমএম