মঙ্গলবার বাংলাদেশে নিযুক্ত রাশিয়ার রাষ্ট্রদূত আলেকজান্ডার জি. খোজিন রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে সাক্ষাৎকালে এ অনুরোধ জানান।

২০১২ সাল থেকে গ্যাজপ্রম বাংলাদেশে কার্যক্রম পরিচালনা করছে এবং গ্যাস অনুসন্ধানে অংশীদার হিসেবে কাজ করছে। ২০২৩ সালে গ্যাজপ্রম ভোলায় নতুন পাঁচটি কূপ চিহ্নিত করে, যেখানে আরও অনুসন্ধানের পরিকল্পনা রয়েছে।

প্রধান উপদেষ্টা গ্যাজপ্রমকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় এ বিষয়ে কাজ করছে এবং ভবিষ্যতে আরও সহযোগিতার জন্য উন্মুক্ত রয়েছে। বৈঠকে সাধারণ বাণিজ্য সহযোগিতা ও বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।

রাষ্ট্রদূত জানান, রাশিয়া বন্ধুপ্রতিম সম্পর্কের নিদর্শন হিসেবে বাংলাদেশে ৩০ হাজার টন এমওপি (এমওপি) সার সরবরাহের প্রস্তুতি নিচ্ছে।

তিনি জানান, বাংলাদেশিদের জন্য রাশিয়ায় কৃষি ও জাহাজ নির্মাণ শিল্পে কাজের সুযোগ বাড়ছে। ফলে এ বছরের জানুয়ারি থেকে মার্চ পর্যন্ত রাশিয়ান ভিসার সংখ্যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় চারগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে।

প্রধান উপদেষ্টা মুক্তিযুদ্ধোত্তর সংকটময় সময়ে বাংলাদেশের পাশে থাকার জন্য রাশিয়াকে ধন্যবাদ জানান।

এইচআর