হাইকোর্ট এলাকায় মুরাল ভেঙে ফেলা হবে এমন তথ্যের ভিত্তিতে শনিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) সকাল থেকেই গোয়েন্দা নজরদারি বাড়িয়ে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।
সরেজমিনে দেখা যায়, আদালতের প্রত্যেকটি প্রবেশ মুখে মোতায়েন করা হয়েছে পুলিশ ও সেনাবাহিনীর এপিসিসহ অন্যান্য সরঞ্জাম। খুব জরুরি প্রয়োজন ছাড়া প্রবেশ করতে দেয়া হচ্ছে না কাউকে। চলমান রয়েছে তল্লাশি কার্যক্রমও।
এইচআর