তিনি জানান, শহীদ পরিবারের কর্মক্ষম যেকোনো একজন সদস্যকে একবারের জন্যই সরকারি, আধা-সরকারি বা বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে যোগ্যতার ভিত্তিতে চাকরি দেওয়া হবে। এটি কোনো প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার ক্ষেত্রে বিবেচিত হবে না।

এছাড়া, গুরুতর আহতদের জন্য—যারা সারাজীবনের জন্য কর্মক্ষমতা হারিয়েছেন, যেমন অঙ্গহানির শিকার বা অন্ধ হয়ে গেছেন—তাদের জন্য আজীবন মাসিক ভাতার ব্যবস্থা করা হয়েছে বলে উল্লেখ করেছেন তিনি।

নাহিদ ইসলাম বলেন, আহতদের বড় একটি অংশ তরুণ, যারা বাকি জীবন আন্দোলনের ক্ষত বয়ে বেড়াবেন এবং দীর্ঘমেয়াদি চিকিৎসার প্রয়োজন হবে। তিনি উল্লেখ করেন, শহীদ ও আহতদের পুনর্বাসন এবং তাদের পরিবারের ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করা সরকারের দায়িত্ব।

তিনি আরও বলেন, 'কয়েক হাজার পরিবার অচল হয়ে গিয়েছে এই অভ্যুত্থানে অংশগ্রহণের ফলে। তাদের এই ক্ষতি আমরা কোনোকিছু দিয়েই পূরণ করতে পারবো না। আর এই পরিবারগুলো যেকোনো সুযোগ সুবিধার চেয়ে কেবল সকলের থেকে সম্মান ও মর্যাদা চায়'।

এফএইচ