বৈঠকে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশিত ‘বেতন ও চাকরি কমিশন, ২০২৬’-এর প্রতিবেদন এবং এ বিষয়ে সচিব কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে নতুন বেতন স্কেল ও বিভিন্ন ভাতা নির্ধারণের প্রস্তাব উপস্থাপন করা হচ্ছে। মন্ত্রিসভা প্রস্তাবটি অনুমোদন করলে নতুন বেতন কাঠামো চূড়ান্ত হওয়ার পথে এগোবে।
বৈঠক শুরুর আগে বিকেল সাড়ে ৪টা থেকেই মন্ত্রিসভার সদস্যরা মন্ত্রিপরিষদ কক্ষে প্রবেশ করতে থাকেন। বিকেল ৫টার কিছু পরও দু-একজন প্রতিমন্ত্রীকে বৈঠকস্থলে আসতে দেখা যায়।
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ জানিয়েছে, সন্ধ্যা ৭টায় সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের (পিআইডি) সভাকক্ষে বৈঠকের সিদ্ধান্ত ও অন্যান্য বিষয় নিয়ে সাংবাদিকদের ব্রিফ করা হবে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, নতুন বেতন কাঠামোর প্রস্তাবে ১ জুলাই থেকে নতুন মূল বেতন কার্যকর করার কথা বলা হয়েছে। তবে এই বেতন ধাপে ধাপে দেওয়ার প্রস্তাব রয়েছে। নতুন বেতন স্কেল ঠিক কীভাবে বাস্তবায়ন করা হবে, সেটি নির্ভর করবে মন্ত্রিসভার চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের ওপর।
মন্ত্রিসভা প্রস্তাব অনুমোদন করলে এরপর নতুন বেতন কাঠামো নিয়ে প্রজ্ঞাপন জারির প্রক্রিয়া শুরু হবে। সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, প্রজ্ঞাপন জারি করতে আনুমানিক এক থেকে দুই সপ্তাহ সময় লাগতে পারে।
২০১৫ সালের সর্বশেষ বেতন কাঠামো অনুযায়ী, গ্রেড-১-এ সর্বোচ্চ মূল বেতন ছিল ৭৮ হাজার টাকা। আর গ্রেড-২০-এ সর্বনিম্ন মূল বেতন নির্ধারিত ছিল ৮ হাজার ২৫০ টাকা। প্রস্তাবিত নতুন বেতন কাঠামোয় এ বেতন গড়ে ১০০ শতাংশেরও বেশি বাড়ানোর সুপারিশ করা হয়েছে।
অষ্টম জাতীয় বেতন কমিশন গঠনের প্রায় এক যুগ পর ২০২৫ সালের ২৭ জুলাই অন্তর্বর্তী সরকার ২৩ সদস্যের নবম জাতীয় বেতন কমিশন গঠন করে। সাবেক অর্থসচিব জাকির আহমেদ খানকে চেয়ারম্যান করে গঠিত এ কমিশন চলতি বছরের ২১ জানুয়ারি তৎকালীন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের কাছে তাদের প্রতিবেদন জমা দেয়।
এনএইচ