কিন্তু গত ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার ঐতিহাসিক গণ- অভ্যুত্থানের পর থেকে দুই প্রতিবেশী দেশের রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক সম্পর্ক বেশ টানাপোড়নের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে।

এছাড়া পাকিস্তান ও চীনের সঙ্গে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের ঘনিষ্ঠতা এবং দৃশ্যমান সখ্য নিয়ে রীতিমতো কপালে চিন্তার ভাঁজ পড়েছে মোদি সরকারের।

তবে আগামী ২৬ মার্চ অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস চার দিনের চীন সফর নিয়ে রীতিমতো দুশ্চিন্তার পড়ে গেছে নয়াদিল্লি। যার প্রমাণ মেলে প্রধান উপদেষ্টার চীন সফরসূচির সঙ্গে মিল রেখে দু’দিনের এক ন্যাশনাল কনফারেন্স ডাকা হয়েছে। যার নাম দেওয়া হয়েছে ‘ইম্পলিকেশন অব দ্য পলিটিক্যাল টার্মোয়েল ইন বাংলাদেশ।’ অর্থাৎ বাংলাদেশে রাজনৈতিক গোলযোগের তাৎপর্য।

ভারতীয়দের এমন উদ্বেগ আর দুশ্চিন্তা নিয়ে অনেকটা রসিকতার ছলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাস দিয়েছেন বিএনপির চেয়ারপারসনের সাবেক প্রেস সচিব সিনিয়ন সাংবাদিক মারুফ কামাল খান।

ওই পোস্টে মারুফ কামাল খান লিখেছেন, ‘আগামী ২৬ মার্চ বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান ড. মুহাম্মদ ইউনূস চার দিনের সফরে চীন যাচ্ছেন। গণচীনে বাংলাদেশি নেতার এ সফরকে খুব গুরুত্বপূর্ণ ভাবা হচ্ছে। এই সফর চলাকালেই আমাদের প্রতিবেশী দেশ ভারতে দু’দিনের এক ন্যাশনাল কনফারেন্স ডাকা হয়েছে। কী বিষয়ে জানেন? বিষয়টা হলো ‘ইম্পলিকেশন অব দ্য পলিটিক্যাল টার্মোয়েল ইন বাংলাদেশে। এর মানে, বাংলাদেশে রাজনৈতিক গোলযোগের তাৎপর্য’।

তিনি লিখেছেন, ‘আহা বাংলাদেশ নিয়ে কত মাথা ব্যথা তাদের! এ দেশের অভ্যন্তরীণ ব্যাপারে নাক গলানো এবং এর ব্যবচ্ছেদ যেন ভারতীয় কর্তাদের কাছে তাদের ঘরোয়া ব্যাপারের চেয়েও বেশি গুরুত্বপূর্ণ। আর বাংলাদেশ বিষয়ক এই কনফারেন্সের সময় নির্ধারণ করা হয়েছে ঠিক ড. ইউনূসের চীন সফরের সময়সূচির সঙ্গে মিলিয়ে। বাংলাদেশকে তাচ্ছিল্য ও উপেক্ষা করার কিংবা ভুলে থাকার কোনো সুযোগই যে পাচ্ছেন না দাদারা’!