এছাড়া, সিআই উদ্বিগ্ন যে, বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর কিছু অংশ ও কিছু জুলাই বিপ্লব নেতার মধ্যে পর্দার আড়ালে আলোচনা চলছে, বিশেষ করে হাসনাত আবদুল্লাহর সঙ্গে। এসব গোপন যোগাযোগ গণতান্ত্রিক ভবিষ্যৎ নিয়ে গুরুতর প্রশ্নের জন্ম দিচ্ছে। এতে ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে যে, সেনাবাহিনীর একটা অংশ আওয়ামী লীগকে পুনর্বাসনের চেষ্টা করছে, যা ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টে সংঘটিত গণহত্যার বিচারের পথ রুদ্ধ করতে পারে।

সিটিজেন ইনিশিয়েটিভ স্পষ্টভাবে বলছে—গণতন্ত্রবিরোধী ষড়যন্ত্র এবং ন্যায়বিচার থেকে আওয়ামী লীগকে রক্ষা করার যেকোনো প্রচেষ্টা জনগণের আশা ও আকাঙ্ক্ষার সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা।

আমরা বাংলাদেশ সরকারের প্রতি আহ্বান জানাই—আওয়ামী লীগকে দায়বদ্ধ করার জন্য দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা নিতে, দলটিকে একটি অপরাধী সংগঠন হিসেবে ঘোষণা করতে এবং রাজনীতি থেকে স্থায়ীভাবে নিষিদ্ধ করতে। আমাদের সুস্পষ্ট অবস্থান হলো, আওয়ামী লীগ জাতীয় নিরাপত্তা, গণতন্ত্র ও মানবাধিকারের জন্য মারাত্মক হুমকি।

সিটিজেন ইনিশিয়েটিভ জোর দিয়ে বলছে—ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে হবে, কোনো আপস বা বিলম্ব গ্রহণযোগ্য নয়”।

এনএইচ