কিংবদন্তিদের প্রশংসায় পেয়ে পুলকিত মিরাজ, ‘ড্রেসিংরুমে সবাই অনেক উপভোগ করছে, সবাই অনেক খুশি। গ্যালারি থেকে অনেক সাপোর্ট পেয়েছি। বাংলাদেশের হয়ে ম্যাচ জিতলে আমাদেরও ভালো লাগে। বাংলাদেশের প্রশংসা করছে বিশ্বমানের ক্রিকেটাররা। এটা আমার কাছে অনেক বড় ব্যাপার।’
সিরিজ জেতা নিয়ে মিরাজ বলেছেন, ‘যেভাবে আমরা চিন্তা করেছি, সেভাবেই ভাবতে চাচ্ছি। প্রথম ম্যাচ জিতেছি। যেহেতু সামনে অনেক চ্যালেঞ্জ অপেক্ষা করছে। আমরা এই মোমেন্টামে আছি, সামনে আরও পরিকল্পনা করব ম্যাচ নিয়ে।’
অনেকের প্রশংসার মধ্যে একজনেরটা আলাদা চোখে দেখছেন এই অলরাউন্ডার, ‘অনেক লিজেন্ডারি প্লেয়ার ছিল এখানে। সবাই বেশ ভালো কথা বলেছে। এর মধ্যে অ্যাডাম গিলক্রিস্ট ছিলেন, পাঁচ উইকেট পাওয়ার পর আমার ইন্টারভিউ নিলেন। অনেক ভালো লেগেছে। অনেক খুশি। বারবার আমাকে অভিনন্দন জানিয়েছেন, ‘বাংলাদেশের তোমরা সবাই অনেক ভালো ক্রিকেট খেলেছে, আমাদের সবাইকে অবাক করে দিয়েছ। আমরা কখনও ভাবিনি তোমরা এভাবে ক্রিকেট খেলতে পারো।’
মিরাজ বলে গেলেন, ‘এরকম একজন লিজেন্ডারি প্লেয়ার যদি দল নিয়ে এত ভালো কথা বলেন, নিজের কাছে ভালো লাগে। আরও যারা আছেন, অনেক প্লেয়াররা ছিলেন। আপনারাও ভালো জানেন। কারণ আমরা মাঠে খেলেছি। ভালো লাগে, যখন এরকম কথা বলে।’
অস্ট্রেলিয়ান দর্শকদের নিয়ে মিরাজ বলেছেন, ‘আমার একটা ঘটনা মনে আছে। যখন আমরা নাস্তা করতে আসি। আসলে এখানে তো অনেক বিদেশি আছে। ২ দিন আগে যখন দ্বিতীয় দিন ভালো খেললাম। ৯০ বছরের বেশি বয়সী একজন মহিলা এসে আমাকে বলছেন, ‘অভিনন্দন, অভিনন্দন।’ এমনভাবে বলছেন আমার অনেক ভালো লেগেছে। তারা অনেক খেলা দেখে এবং সমর্থন করে। ভালোটাকে মূল্যায়ন করে এবং খারাপ হলেও সাপোর্ট করে যে সামনের বার হবে। এই জিনিসটা ভালো লাগে।’
নিজের পারফরম্যান্স নিয়ে মিরাজ বলেছেন, ‘আমি সবসময় দলের জন্য খেলি। অনেক সময় অনেক কথা শুনেছি। বিভিন্ন সময় আমাকে নিয়ে আমার ব্যাপারে অনেক কথা হয়েছে। এগুলোর আসলে কোনো ভিত্তি নেই। আমি সবসময় চেষ্টা করি দলে অবদান রাখতে। অধিনায়ক থাকতেও আমি সেই চেষ্টা করেছি। আমি না থাকলেও এটাই চেষ্টা করব। কারণ দিন শেষে তো বাংলাদেশ, এখানে তো আলাদা কোনো প্লেয়ার না। আমার কাছে ভালো লাগে যখন বাংলাদেশ কথাটা বলে (কোনো ইতিবাচক কারণে)।’
এমএম