এর আগে অস্ট্রেলিয়াকে প্রথম ইনিংসে মাত্র ১৯৮ রানে অলআউট করে বাংলাদেশ নিজেদের ইনিংসে ৪২৬ রান সংগ্রহ করে। তানজিদ হাসানের দুর্দান্ত সেঞ্চুরির পাশাপাশি নাজমুল হোসেন শান্ত ও মেহেদী হাসান মিরাজের অর্ধশতকে বড় লিড পায় সফরকারীরা।

তৃতীয় দিনে হাতে থাকা চার উইকেট নিয়ে ব্যাটিংয়ে নামে বাংলাদেশ। তবে লাঞ্চের পরপরই অলআউট হয়ে যায় তারা। অস্ট্রেলিয়ার হয়ে চার উইকেটই শিকার করেন জশ হ্যাজলউড। প্রথম ইনিংসে মোট ছয়টি উইকেট নেন এই পেসার।

২২৮ রানের ঘাটতি নিয়ে দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই চাপে পড়ে অস্ট্রেলিয়া। হাসান মাহমুদের বোলিং তোপে ৩৭ রানেই দুই ওপেনারকে হারায় স্বাগতিকরা। জেক ওয়েদারাল্ড কোনো রান না করেই বোল্ড হন। এরপর ট্র্যাভিস হেডকেও বোল্ড করে ফেরান হাসান।

দুই ওপেনারের বিদায়ের পর মার্নাস লাবুশেন ও স্টিভ স্মিথ জুটি গড়ে প্রতিরোধের চেষ্টা করেন। চা বিরতির পর তাইজুল ইসলামের বলে বোল্ড হয়ে ৩১ রানে ফেরেন লাবুশেন। ভেঙে যায় ৩৬ রানের জুটি।

এরপর স্মিথ ও ক্যামেরন গ্রিনের ব্যাটে আবারও ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করে অস্ট্রেলিয়া। তবে ৮৮ বলে ৪৪ রান করা স্মিথকে ফিরিয়ে এই জুটি ভাঙেন মেহেদী হাসান মিরাজ। তাঁর বলে ফিরতি ক্যাচ দিয়ে সাজঘরে ফেরেন অস্ট্রেলিয়ার অভিজ্ঞ এই ব্যাটার।

স্মিথ ফেরার পর আর কোনো উইকেট হারায়নি স্বাগতিকরা। সতর্ক ব্যাটিংয়ে দিন পার করেন গ্রিন ও অ্যালেক্স ক্যারি। ৯৪ রানের অবিচ্ছিন্ন জুটিতে দলকে সামলে রাখেন তারা। গ্রিন ৪৩ এবং ক্যারি ১৯ রানে অপরাজিত থেকে মাঠ ছাড়েন।

দিন শেষে অস্ট্রেলিয়ার সংগ্রহ ৪ উইকেটে ১৬১ রান। বাংলাদেশের লিড ৬৭ রান। চতুর্থ দিনে অস্ট্রেলিয়া কতটা ঘাটতি পুষিয়ে নিতে পারে, এখন সেটিই ম্যাচের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন।

এস