১৫ জুলাই বুধবার বাংলাদেশ সময় দিবাগত রাত ১টায় আটলান্টায় অনুষ্ঠিত দ্বিতীয় সেমিফাইনালে মুখোমুখি হয় দুই দল।
ম্যাচের শুরু থেকেই বলের দখল ও আক্রমণে এগিয়ে ছিল আর্জেন্টিনা। তবে একের পর এক সুযোগ তৈরি করেও প্রথমার্ধে গোলের দেখা পায়নি লিওনেল মেসির দল। অন্যদিকে ইংল্যান্ডও পাল্টা আক্রমণ চালালেও গোল আদায় করতে পারেনি।
প্রথমার্ধে এলিয়ট অ্যান্ডারসনকে ফাউল করার ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই দলের খেলোয়াড়দের মধ্যে কিছুটা উত্তেজনা তৈরি হলেও রেফারির হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। শেষ পর্যন্ত গোলশূন্য সমতায় বিরতিতে যায় দুই দল।
বিরতির পর আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে শুরু করে ইংল্যান্ড। এর ফলও পেয়ে যায় তারা। ম্যাচের ৫৫তম মিনিটে মরগান রজার্সের ক্রস থেকে অ্যান্থনি গর্ডন গোল করে ইংল্যান্ডকে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে দেন।
গোল হজমের পর একাধিক পরিবর্তন এনে ম্যাচে ফেরার চেষ্টা করে আর্জেন্টিনা। ৬৪তম মিনিটে লিয়ান্দ্রো পারেদেসের বদলে নিকো গঞ্জালেজকে নামানো হয়। পরে নিকোলাস ওতামেন্দি, রদ্রিগো দি পল ও গনসালো মন্তিয়েলকে মাঠে নামিয়ে আক্রমণের গতি আরও বাড়ান কোচ।
শেষ ২০ মিনিটে ম্যাচ জমে ওঠে। দুই দলই একের পর এক আক্রমণ চালাতে থাকে। তবে ম্যাচের ভাগ্য বদলে যায় শেষ পাঁচ মিনিটে।
৮৫তম মিনিটে বক্সের বাইরে থেকে দুর্দান্ত শটে গোল করে আর্জেন্টিনাকে সমতায় ফেরান এনজো ফার্নান্দেজ।
এরপর যোগ করা সময়ের তৃতীয় মিনিটে লিওনেল মেসির নিখুঁত ক্রসে হেডে বল জালে পাঠিয়ে আর্জেন্টিনাকে ২-১ ব্যবধানে এগিয়ে দেন লাওতারো মার্তিনেজ।
শেষ মুহূর্তে সমতায় ফেরার সর্বোচ্চ চেষ্টা চালায় ইংল্যান্ড। কিন্তু আর্জেন্টিনার দৃঢ় রক্ষণ ভাঙতে না পারায় আর গোলের দেখা পায়নি তারা। ফলে নাটকীয় ২-১ ব্যবধানে জয় তুলে নিয়ে টানা দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের ফাইনালে ওঠে আলবিসেলেস্তেরা।
আগামী ১৯ জুলাই রোববার বাংলাদেশ সময় দিবাগত রাত ১টায় অনুষ্ঠিত হবে বিশ্বকাপের ফাইনাল। সেখানে স্পেনের মুখোমুখি হবে আর্জেন্টিনা। শিরোপা ধরে রাখার লক্ষ্য নিয়েই মাঠে নামবে বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।
এনএইচ