আজ রোববার (৫জুলাই) আন্দোলনকারীরা জানান, দীর্ঘদিন ধরে তারা বেতন-ভাতা ও অন্যান্য আর্থিক পাওনা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। অনেকের কয়েক মাসের বেতন বকেয়া থাকায় পরিবার-পরিজন নিয়ে চরম আর্থিক সংকটে দিন কাটাতে হচ্ছে। এ ছাড়া কোনো ধরনের যথাযথ কারণ, তদন্ত বা আইনগত প্রক্রিয়া অনুসরণ না করেই বেশ কয়েকজন সাংবাদিক ও কর্মচারীকে চাকরি থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তারা। এসব সিদ্ধান্তকে তারা সম্পূর্ণ অন্যায্য ও শ্রম আইনবিরোধী বলে দাবি করেন।
প্রতীকী প্রতিবাদ হিসেবে জনকণ্ঠ ভবনের মূল ফটকে থালা ঝুলিয়ে নিজেদের দুর্দশার চিত্র তুলে ধরেন আন্দোলনকারীরা। তাদের ভাষ্য, থালা ঝুলিয়ে তারা বোঝাতে চেয়েছেন যে, বেতন না পাওয়ায় অনেক পরিবারে খাবারের সংস্থান করাই কঠিন হয়ে পড়েছে। তারা বলেন, সংবাদপত্রে দায়িত্ব পালন করেও নিজেদের মৌলিক অধিকার আদায়ের জন্য আজ তাদের রাস্তায় নামতে হয়েছে, যা অত্যন্ত দুঃখজনক।
বিক্ষোভ চলাকালে আন্দোলনকারীরা বিভিন্ন স্লোগান দেন এবং অবিলম্বে বকেয়া বেতন-ভাতা পরিশোধ, চাকরিচ্যুত সাংবাদিক ও কর্মচারীদের পুনর্বহাল এবং তাদের সকল আইনগত পাওনা নিশ্চিত করার দাবি জানান। একই সঙ্গে মালিকপক্ষের সঙ্গে দ্রুত আলোচনার মাধ্যমে সংকট নিরসনের আহ্বান জানান তারা।
ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে বিষয়টি নিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে একাধিকবার দাবি জানানো হলেও এখন পর্যন্ত কার্যকর কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। ফলে বাধ্য হয়েই তারা ধারাবাহিক আন্দোলনের কর্মসূচি পালন করছেন।
আন্দোলনকারীরা স্পষ্টভাবে ঘোষণা দেন, তাদের ন্যায্য ও বৈধ দাবিগুলো পূরণ না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে। প্রয়োজনে আরও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে বলেও তারা হুঁশিয়ারি দেন।
এদিকে, এ বিষয়ে জনকণ্ঠ কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। তবে আন্দোলনকারীরা আশা প্রকাশ করেন, দ্রুত আলোচনার মাধ্যমে সমস্যার সমাধান হবে এবং সাংবাদিক-কর্মচারীদের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করা হবে।
এস