স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রতিদিনের মতো বৃহস্পতিবারও জামশা বাজারে গাভীর দুধের হাট বসে। দীর্ঘদিন ধরে বাজারে বিক্রি হওয়া দুধে পানি মেশানোর অভিযোগ করে আসছিলেন ক্রেতারা। অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে বিষয়টি আমলে নেন জামশা বাজার কমিটির সভাপতি কুদ্দুস মোল্লা।

পরে কুদ্দুস মোল্লা, সফিক ও ফারুককে সঙ্গে নিয়ে দুধের বাজারে উপস্থিত হয়ে বিক্রেতাদের সব দুধের পাত্র এক স্থানে রাখতে এবং কিছুটা দূরে সরে দাঁড়াতে বলেন। এরপর দুধ পরীক্ষা করা হলে ১০ জন বিক্রেতার দুধে প্রায় ৬০ শতাংশ পর্যন্ত পানি মেশানো রয়েছে বলে দাবি করা হয়।

অভিযোগের সত্যতা ধরা পড়ার পর অভিযুক্ত বিক্রেতারা ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান।

স্থানীয়দের দাবি, তারা পার্শ্ববর্তী নবাবগঞ্জ উপজেলার বাসিন্দা। পরে বাজার কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী পানি মেশানো সব দুধ জনসম্মুখে ফেলে দেওয়া হয়।

জামশা বাজার কমিটির সভাপতি কুদ্দুস মোল্লা বলেন, “দীর্ঘদিন ধরে ক্রেতারা ভেজাল দুধের অভিযোগ জানিয়ে আসছিলেন। আজ পরীক্ষা করে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে। অভিযুক্তদের প্রাথমিকভাবে সতর্ক করা হয়েছে। ভবিষ্যতে এ ধরনের অপরাধে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিতে প্রশাসনের সহযোগিতা নেওয়া হবে।”

এ ব্যাপারে সিংগাইর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাজহারুল ইসলাম বলেন, “এ ঘটনায় সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”

স্থানীয়দের দাবি, খাদ্যে ভেজাল রোধে প্রশাসনের নিয়মিত নজরদারি ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান পরিচালনা করা হলে বাজারে অসাধু ব্যবসায়ীদের দৌরাত্ম্য কমবে এবং ক্রেতারা নিরাপদ খাদ্য কিনতে পারবেন।

এস