নাছির চৌধুরী বলেন, ‘আমরা তাদেরকে (আওয়ামী লীগ) নিয়ে একসাথে মুক্তিযুদ্ধ করেছি। অচিরেই আওয়ামী লীগ বিএনপির সাথে মিশে যাবে, কারণ তাদের আর কোনো পথ নেই।’
স্থানীয় বিএনপিতে বিভাজনের রাজনীতি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আজকের এই সমাবেশই বিএনপির মূল সমাবেশ, এর বাইরে বিএনপির আর কোনো সমাবেশ নেই। আগামী ৮ তারিখে বিএনপির নামে যারা আলাদা সমাবেশ করতে চাচ্ছে, তারা মূলত দলে বিভক্তি আনতে চায়। এদের সম্পর্কে সবাইকে সজাগ থাকতে হবে।
নিজের বিরুদ্ধে চলা নানা অপপ্রচারের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে ছোট ভাই ও উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মাসুক চৌধুরী প্রসঙ্গে নাছির চৌধুরী বলেন, আমার কোনো ভাই নেই, আমি একা। এমনকি আমার বাসাও কেড়ে নেওয়া হয়েছে। যারা দলের নাম ভাঙিয়ে চুরি-দুর্নীতি করার সুযোগ পাচ্ছে না, তারাই মূলত আমার বিরুদ্ধে এসব মিথ্যা অপপ্রচার চালাচ্ছে। তারা বলে, আমি নাকি লাখ লাখ টাকা লুটপাট করে খাচ্ছি! যারা এসব কথা বলে, তাদেরকে প্রশ্ন করুন—আসলে কত টাকা বাজেট এসেছে? প্রয়োজন হলে ইউএনওর কাছে গিয়ে খোঁজ নিন।
দুর্নীতির বিরুদ্ধে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করে তিনি আরও বলেন, আমি যতদিন জীবিত আছি, কাউকে কোনো প্রকার দুর্নীতি করার সুযোগ দেব না।
উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক আমির হোসেনের সভাপতিত্বে এবং বিএনপি নেতা ফারুক সর্দার ও সাব্বির মিয়ার যৌথ পরিচালনায় সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন নাছির চৌধুরীর সহধর্মিণী পারভিন চৌধুরী, উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রশিদ চৌধুরী, যুগ্ম আহ্বায়ক হুমায়ুন কবির তালুকদার, সাবেক চেয়ারম্যান মুজিবুর রহমান, নুরুল হক তালুকদার, আবু সাঈদ চৌধুরী, সজিব রশিদ চৌধুরী, এবং ছাত্রদল নেতা শাহ আলম, জুনেদ মিয়া ও মেহেদী হাসান চৌধুরী।
এস