গত ২০ মে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জামসেদ আলম বিদিশাকে দুই বছরের কারাদণ্ড ও ১০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও এক মাসের কারাদণ্ড দেন। তিনি পলাতক থাকায় সেদিন গ্রেপ্তারি পরোয়ানাও জারি হয়।

২৫ আগস্ট রাতে গুলশানের একটি রেস্তোরাঁ থেকে বিদিশাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরদিন আপিলের শর্তে জামিন চাওয়া হলেও আদালত তা নাকচ করে তাকে কারাগারে পাঠান।

বারিধারার প্রেসিডেন্ট পার্কের একটি ফ্ল্যাট বিক্রির অভিযোগে ব্যবসায়ী মোশাররফ হোসেন সিকদার ২০০৮ সালে গুলশান থানায় মামলাটি করেন। অভিযোগ অনুযায়ী, ২০০১ সালে ৮০ লাখ টাকায় ফ্ল্যাট বিক্রির চুক্তি করে বিদিশা ক্রেতার কাছ থেকে ৭৫ লাখ টাকা নেন। পরে ফ্ল্যাট বুঝিয়ে না দিয়ে ৭২ লাখ টাকার একটি চেক দিলেও পর্যাপ্ত টাকা না থাকায় সেটি প্রত্যাখ্যাত হয়। বাদীর অভিযোগ, এরপরও টাকা বা ফ্ল্যাট ফেরত না দিয়ে তাকে সময়ক্ষেপণ ও হত্যার হুমকি দেওয়া হয়।

এনএইচ