রোববার দুদকের প্রধান কার্যালয়ে মামলাটি দায়ের করা হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন দুদকের জনসংযোগ বিভাগের উপপরিচালক মো. আকতারুল ইসলাম।
মামলায় পদ্মা ব্যাংকের সাবেক এমডি ও সিইও আব্দুল মোতালেব পাটওয়ারী, সাবেক শাখা ব্যবস্থাপক (এসভিপি) জর্জ কর্নেলিয়াস গমেজ, সাবেক ক্রেডিট ইনচার্জ মো. রাসেল মিয়া, সাবেক ম্যানেজার অপারেশন (এফভিপি) এম আতিফ খালেদ, সাবেক ফার্স্ট অ্যাসিস্ট্যান্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট আমেনা বেগম, সাবেক শাখা ব্যবস্থাপক মোহাম্মদ শামছুল হাসান ভূঞা, সাবেক ম্যানেজার অপারেশন মাহবুব আহমদ এবং সাবেক ক্রেডিট ইনচার্জ মো. কাওসার হোসেনকে আসামি করা হয়েছে।
এ ছাড়া এম এইচ এন্টারপ্রাইজের প্রোপ্রাইটর মো. মমিনুর রহমান ও মো. অজিত উল্লাহকেও মামলায় আসামি করা হয়েছে।
দুদক জানায়, জালিয়াতির মাধ্যমে ভুয়া কাগজপত্র তৈরি করে এক ব্যক্তির নামে ১ কোটি ৯৫ লাখ টাকা ঋণ অনুমোদন ও আত্মসাতের অভিযোগ অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত নেয় কমিশন। পরে এ বিষয়ে অনুসন্ধানের জন্য একজন তদন্তকারী কর্মকর্তাকে দায়িত্ব দেওয়া হয় এবং একজন পরিচালককে (ব্যাংক) তদারককারী কর্মকর্তা হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়।
অনুসন্ধান শেষে তদন্তকারী দলের দাখিল করা প্রতিবেদন ও সংশ্লিষ্ট নথিপত্র পর্যালোচনা করে অভিযোগের বিষয়ে কমিশন সন্তুষ্ট হয়। এরপর ১০ জনের বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা দায়েরের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
দুদকের মামলায় আসামিদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৪০৯, ১০৯, ৪২০, ৪৬৭, ৪৬৮ ও ৪৭১ ধারাসহ দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন, ১৯৪৭-এর ৫(২) ধারা এবং মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২-এর ৪(২) ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।
এস