বিভিন্ন ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের ২২৭ টি হিসাবে এসব টাকা জমা রয়েছে বলে তদন্তকারী কর্মকর্তা আবেদনে উল্লেখ করেছেন।

আজ রোববার দুদকের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকা মহানগর জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ জাকির হোসেন গালিবের আদালত এ আদেশ দেন।

এর আগে, দুদকের উপ-পরিচালক তাহাসিন মুনাবীল হক এসব সম্পদ অবরুদ্ধের আদেশ চেয়ে আবেদন করেন। শুনানি শেষে আদালত আবেদন মঞ্জুর করেন।

আবেদনে বলা হয়, অভিযোগ সংশ্লিষ্ট এস আলম গ্রুপের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সাইফুল আলমের বিরুদ্ধে অর্থপাচারের অভিযোগের অনুসন্ধান চলছে। অনুসন্ধানকালে দেখা যায়, সাইফুল আলম ও তার সাথে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিগণ বিভিন্ন ব্যাংক থেকে নামে বেনামে বিধিবহির্ভূতভাবে ঋণ নিয়ে তা আত্মসাৎপূর্বক নিজ নামে ও পরিবারের সদস্যদের নামে দেশে-বিদেশে বিপুল পরিমাণ সম্পদ করেছেন।

বিভিন্ন সূত্র হতে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে জানা যায়, তিনি এবং তার পরিবারের সদস্যরা অস্থাবর সম্পদসমূহ অন্যত্র হস্তান্তর, স্থানান্তর বা বেহাত করার চেষ্টা করছেন। অনুসন্ধান নিষ্পত্তির পূর্বে বর্ণিত সম্পদ হস্তান্তর বা স্থানান্তর হয়ে গেলে পরবর্তী সময়ে উক্ত টাকা উদ্ধার করা দুরূহ হয়ে পড়বে। তাই অত্র অনুসন্ধান শেষে মামলা দায়ের ও তদন্ত সম্পন্ন করে আদালতে চার্জশিট দাখিলের পর আদালত কর্তৃক বিচার শেষে সরকারের অনুকূলে সম্পত্তি বাজেয়াপ্তের সুবিধার্থে ও ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠার স্বার্থে সাইফুল আলমের এসব সম্পদ অবরুদ্ধ করা প্রয়োজন।

এর আগে, ১২ ফেব্রুয়ারি এস আলম গ্রুপের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সাইফুল আলম ও তার পরিবারের সদস্যদের নামীয় বিভিন্ন কোম্পানির ৪২টি শেয়ারে পাঁচ হাজার এক শ’ নয় কোটি সাতষট্টি লাখ ছিয়ানব্বই হাজার দু’শ’ ষাট টাকা এবং শেয়ারসমূহ থেকে উদ্ভূত সকল মুনাফা অবরুদ্ধের (ফ্রিজ) আদেশ দিয়েছেন ঢাকার মেট্রোপলিটন সিনিয়র স্পেশাল জজ জাকির হোসেন গালিব।

গত ৩০ জানুয়ারি এস আলম গ্রুপের কর্ণধার সাইফুল আলম ও তার পরিবারের নামে থাকা ১৭৫ বিঘা সম্পদ জব্দের আদেশ দিয়েছেন ঢাকার মেট্রোপলিটন সিনিয়র স্পেশাল জজ জাকির হোসেন গালিবের আদালত। যার প্রদর্শিত মূল্য ৩৬৮ কোটি ২৫ লাখ ৬৩ হাজার পাঁচ শ’ টাকা।

এমএম