বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন দুই সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ দিন ধার্য করেন। বেঞ্চের অপর সদস্য বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।
প্রসিকিউশনের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে শুনানি পিছিয়ে দেওয়া হয়। প্রসিকিউটর জহিরুল আমিন জানান, ট্রাইব্যুনালের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চ না থাকায় বৃহস্পতিবার নির্ধারিত অভিযোগ গঠনের শুনানি অনুষ্ঠিত হয়নি। আগামী ২৭ সেপ্টেম্বর এ বিষয়ে শুনানি হবে।
এদিন মামলায় গ্রেফতার চার আসামিকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়। তারা হলেন কক্সবাজার-৪ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য আবদুর রহমান বদি, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মিফতাহ উদ্দিন আহমেদ, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মাহবুব আলম এবং র্যাবের সাবেক মহাপরিচালক কর্নেল (অব.) আনোয়ার লতিফ খান।
মামলায় শেখ হাসিনাসহ বাকি সাত আসামি পলাতক রয়েছেন। তারা হলেন সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক বেনজীর আহমেদ, মেজর (অব.) রুহুল আমিন, লেফটেন্যান্ট কমান্ডার আশেকুর রহমান এবং ডিজিএফআইয়ের সাবেক কর্মকর্তা স্কোয়াড্রন লিডার নাজমুস সাকিব মাহমুদ।
এর আগে গত ২৫ আগস্ট শেখ হাসিনাসহ সাত আসামিকে আত্মসমর্পণের নির্দেশ দিয়ে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল। ৭ সেপ্টেম্বর নির্ধারিত হাজিরার দিনে তারা আত্মসমর্পণ না করায় পলাতক আসামিদের পক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী নিয়োগের আদেশ দেওয়া হয়। এর আগে ২৬ জুলাই আসামিদের বিরুদ্ধে দাখিল করা আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আমলে নেন ট্রাইব্যুনাল।
প্রসিকিউশনের অভিযোগ অনুযায়ী, ২০১৮ সালের ২৬ মে রাতে টেকনাফের কিরণতলীর হোটেল নেটংয়ের সামনে থেকে টেকনাফ পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর ও উপজেলা যুবলীগের সভাপতি একরামুল হককে তুলে নেওয়া হয়। পরে রাত ১১টা থেকে ১২টার মধ্যে মেরিন ড্রাইভের সাগরতীরে নোয়াখালিয়া পাড়ায় র্যাবের কথিত বন্দুকযুদ্ধে তিনি নিহত হন।
মামলায় আসামিদের বিরুদ্ধে অবৈধভাবে আটক, অপহরণ, বন্দুকযুদ্ধের নাটক সাজিয়ে হত্যা, অপরাধে সংশ্লিষ্টতা, প্ররোচনা, সহায়তা এবং হত্যার নির্দেশ দেওয়ার অভিযোগ এনেছে প্রসিকিউশন।
এস





