পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা গণমাধ্যমকে জানায়, মোটরসাইকেলে করে বাড়ি ফেরার পথে নগরীর পঙ্গু হাসপাতালের সামনে তাকে হত্যা করা হয়।
যশোর কোতয়ালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কাজী বাবুল, প্রত্যক্ষদর্শী ও পরিবারের বরাত দিয়ে বলেন, ট্যাটু সুমন নামে পরিচিত সন্ত্রাসী সুমন নিহত মীর সাদিকের বুকে পাঁচ-ছয়বার গুলি করে।
ঠিকাদার মির সাদিককে আহত অবস্থায় উদ্ধার করে যশোর সদর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে তাকে রাতে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় এবং সেখানে রাত ১২.৩০ মিনিটে তিনি মারা যান।
যশোর জেনারেল হাসপাতালের ডা. শফিকুর রহমান নিশ্চিত করেন যে, তার বুকে পাঁচ-ছয় রাউন্ড গুলি করা হয়।
ঘটনার পর অতিরক্ত পুলিশ সুপার নুরে আলম সিদ্দিকি সহ পুলিশ কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।
ওসি বাবুল হাসান আরো জানান, ঘটনাস্থলের সিসিটিভি ফুটেজ যাচাই করে জড়িতদের ধরতে পুলিশ শহরের বিভিন্ন স্থানে অভিযান পরিচালনা করেছেন। নিহতের লাশ ময়নাতদন্তের জন্য যশোর জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ঘটনার পর থেকে সুমন পলাতক।
এফএইচ