টাইমস অব ইন্ডিয়ার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, কোনো ধরনের বৈষম্য ছাড়াই সব ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রেই সমানভাবে এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। রাজ্যে প্রথমবারের মতো পরিচালিত এমন অভিযানে উপাসনালয়গুলোর পরিচালনা কমিটিকে তাদের মাইক সরিয়ে ফেলতে এবং শব্দদূষণ বিধি মেনে চলতে উৎসাহিত করেছে পুলিশ।

পশ্চিমবঙ্গের শব্দদূষণ (নিয়ন্ত্রণ ও বিধিমালা) ২০০০ অনুযায়ী, দিনের বেলায় অর্থাৎ সকাল ৬টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত যেকোনো লাউডস্পিকার ব্যবহার করতে হলে পুলিশের পূর্বানুমতি নেওয়া বাধ্যতামূলক। একই সঙ্গে সাউন্ড লিমিটার ব্যবহার করতে হবে এবং শব্দের মাত্রা কঠোরভাবে ৫০ থেকে ৭৫ ডেসিবেলের মধ্যে রাখতে হবে।

অন্যদিকে, এই অভিযানের বিষয়ে বেশ কয়েকটি মসজিদ ও মন্দির কমিটির প্রতিনিধিরা সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, স্থানীয় পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাদেরকে শুধু মৌখিকভাবে লাউডস্পিকার সরিয়ে ফেলতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এর জন্য প্রশাসন থেকে তাদের কাছে কোনো লিখিত নির্দেশনা পাঠানো হয়নি।

এমএম