নিহত মো. মিলন গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলার রাঙ্গালিয়া গ্রামের সোলায়মান হোসেনের ছেলে। সে বগুড়ায় থেকে সিএনজি চালাতো।
তাড়াশ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) শাহ আলম মোল্লা বলেন, খাল থেকে পঁচা দুর্গন্ধ বের হচ্ছিল। স্থানীয়রা খালের কাছে গিয়ে কচুরিপানার নিচে একটি মরদেহ ভাসতে দেখেন। পরে তারা থানায় খবর দিলে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে।
তদন্ত কর্মকর্তা আরো বলেন, ইতোমধ্যে নিহতের মরদেহের শরীর ফুলে গেছে। ধারণা করা হচ্ছে, কয়েক দিন আগে তাকে ঘাড় ভেঙে হত্যার পর মরদেহটি খালের কচুরিপানার নিচে লুকিয়ে রাখা হয়েছিল।
অটোরিকশা চালক মিলন গত ২ অগাস্ট বগুড়া থেকে নিখোঁজ হন। এপর ৫ অগাস্ট তার অটোরিকশাটি উদ্ধার করে বগুড়া পুলিশ। খবর পেয়ে নিহতের স্ত্রী ও শ্যালক থানায় এসেছেন। এ ঘটনায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।
এস