বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) চট্টগ্রামের অতিরিক্ত মহানগর পঞ্চম দায়রা জজ মো. তাজউল ইসলামের আদালত এ রায় ঘোষণা করেন।

দণ্ডপ্রাপ্ত সুমিত চৌধুরী (৩১) সাতকানিয়ার আমিলাইষ এলাকার মধু চৌধুরী বাড়ির সুখময় চৌধুরীর ছেলে।

মামলার নথি অনুযায়ী, ২০১৬ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর দুপুর ১২টা থেকে সাড়ে ১২টার মধ্যে গোসাইলডাঙ্গার সাসটেইন টাওয়ারের তৃতীয় তলার একটি ফ্ল্যাটে কুমকুম চৌধুরীকে ধারালো দা দিয়ে কুপিয়ে ও গলা কেটে হত্যা করা হয়।

ঘটনার দিন নিহতের বড় ছেলে সোমনাথ চৌধুরী ওরফে সুজন বাইরে থেকে বাসায় ফিরে দীর্ঘ সময় দরজায় ধাক্কা দেন। একপর্যায়ে সুমিত দরজা খুলে দেন। পরে সুজন বেডরুমে তার মাকে গলাকাটা অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন। এ সময় সুমিতের ঘাড়েও রক্তাক্ত জখম ছিল।

সুমিত তার ভাইকে জানান, তিনি মাকে হত্যা করেছেন এবং নিজেও দা দিয়ে নিজের ঘাড়ে আঘাত করেছেন। পরে তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

এ ঘটনায় মামলা হওয়ার পর ২০১৭ সালের ২৩ জুলাই সুমিতের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৩০২ ধারায় অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরু হয়।

আদালতের বেঞ্চ সহকারী এস এম কাওসার সাগর জানান, মামলায় ১১ জনের সাক্ষ্য ও উপস্থাপিত প্রমাণের ভিত্তিতে মাকে কুপিয়ে ও গলা কেটে হত্যার অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় সুমিত চৌধুরী ওরফে বিভুকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে তাকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

এস