শুক্রবার (১৭ অক্টোবর) সকালে ফায়ার সার্ভিসের পক্ষ থেকে জানানো হয়, আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে তাদের ২৫টি ইউনিট কাজ করেছে। আগুন নেভানোর কাজে পুলিশ, আনসার, সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী, বিমান বাহিনী ও বিজিবির সদস্যরাও সহায়তা করেছেন।
ফায়ার সার্ভিসের এক কর্মকর্তা জানান, সদস্যরা নিজেদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করেই আগুন নেভানোর কাজ করেছেন। তিনি বলেন, সবচেয়ে বড় স্বস্তির বিষয় হলো আগুন আশপাশের কোনো স্থাপনায় ছড়িয়ে পড়েনি। সম্মিলিতভাবে কাজ করার কারণেই বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি এড়ানো সম্ভব হয়েছে।
অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত ও কারণ অনুসন্ধানে ফায়ার সার্ভিস একটি পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে। কমিটিকে ১৫ কর্মদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৬ অক্টোবর) দুপুর ২টার দিকে ইপিজেড এলাকার ৫ নম্বর কারখানায় আগুনের সূত্রপাত হয়। পরে আগুন পাশের জিন হং মেডিকেল নামের আরেকটি কারখানায় ছড়িয়ে পড়ে। ফলে দুইটি কারখানাই ক্ষতিগ্রস্ত হয়। আগুনের তীব্রতায় ভবনের ছাদও ধসে পড়ে বলে জানায় ফায়ার সার্ভিস।
এনএইচ