আহতরা হলেন সময় টেলিভিশনের ক্যামেরাপারসন সুমন হাসান এবং চ্যানেল টোয়েন্টিফোরের ক্যামেরাপারসন শাকিল মাহমুদ পাপ্পু। তাদেরকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

সাংবাদিকদের পরিবার জানায়, স্থানীয় একটি অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার পর সুমন হাসান তার তিন বছরের কন্যাকে নিয়ে পার্কে প্রবেশের চেষ্টা করেন। এ সময় মহানগর ছাত্রদলের ১০ নম্বর ওয়ার্ড সভাপতি বেল্লাল গাজী বাধা দেন। কথা-কাটাকাটির এক পর্যায়ে ধাক্কাধাক্কিতে শিশুটিও আহত হয়। তখন ঘটনাস্থলে উপস্থিত পাপ্পু তাদের পরিচয় দিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করার চেষ্টা করলে পেছন থেকে মহানগর ছাত্রদলের সহ-সভাপতি সোহেল খান লাঠি দিয়ে তার মাথায় আঘাত করেন। পরবর্তীতে তাদের সহযোগী সাকিব, সোহেল ও রাহাতও হামলায় অংশ নেয়।

আহত পাপ্পুর বড় ভাই ও নিউজ টোয়েন্টিফোরের ক্যামেরাপারসন শুভ হাওলাদার বাদী হয়ে বরিশাল কোতোয়ালি মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। অভিযোগে নাম উল্লেখ করা হয়েছে মহানগর ছাত্রদলের সহ-সভাপতি সোহেল খান, ১০ নম্বর ওয়ার্ড সভাপতি বেল্লাল গাজী ও তাদের সহযোগীদের। অভিযুক্তরা নগরীর বান্দরোড কেডিসি কলোনীর বাসিন্দা।

এ বিষয়ে মহানগর ছাত্রদলের সভাপতি রেজাউল করীম রনি বলেন, “এমন ঘটনার ব্যাপারে আমি কিছু জানি না। সাংবাদিকরা পার্কে ঘুরতে যাবে, তাতে কারও সমস্যা হওয়ার কথা নয়। বিষয়টি খোঁজ নিয়ে দেখছি। প্রমাণ পেলে সংগঠনের পক্ষ থেকে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

কোতোয়ালি মডেল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) গোলাম মোহাম্মদ নাসির বলেন, অভিযোগ পাওয়ার পর ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে ঘটনার সময়ের ভিডিও সংগ্রহ করা হয়েছে। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

এনএইচ