মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) বিকেলে অভিযোগের বিষয়ে জানতে রুহিন আহম্মেদের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি অভিযোগকে মিথ্যা ও বানোয়াট বলে দাবি করেন।
অভিযুক্ত রুহিন আহম্মেদ (৩৫) মাগুরার শ্রীপুর উপজেলার সোনাতুন্দি উত্তরপাড়া গ্রামের আবু জাফর মোল্যার ছেলে। তিনি ধর্ষণ মামলার আসামি প্রহলাদ খানের জামাতা। তিনি পুলিশে চাকরি করেন বলে জানা গেছে।
জিডি সূত্রে জানা যায়, গত ১ অক্টোবর লোহাগড়া উপজেলার ছায়মানারচর গ্রামের মুছা খানের ছেলে প্রহলাদ খানের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগে নড়াইল সদর থানায় মামলা করেন ওই নারী। পরে ২৪ অক্টোবর দুপুরে রুহিন আহম্মেদ ও অজ্ঞাতপরিচয় আরও এক-দুজন তার বাড়িতে গিয়ে মামলা তুলে নিতে ভয়ভীতি ও হুমকি দেন বলে অভিযোগ করেন তিনি। এ ঘটনায় ওই দিন সন্ধ্যায় লোহাগড়া থানায় জিডি করেন ভুক্তভোগী নারী।
জিডিতে ভুক্তভোগী নারী আরও আশঙ্কা প্রকাশ করেন, অভিযুক্ত ব্যক্তিরা যেকোনো সময় তার বড় ধরনের ক্ষতি করতে পারেন। এ ছাড়া রুহিন আহম্মেদ নিজেকে আইনের একজন কর্মকর্তা হিসেবে পরিচয় দিয়েছেন বলেও জিডিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে রুহিন আহম্মেদ প্রহলাদ খানের জামাতা হওয়ার কথা স্বীকার করেন। তিনি নিজেকে পুলিশ সদস্য বলেও পরিচয় দেন। তবে তার পদবি উল্লেখ করেননি। বাদীকে হুমকি দেওয়ার অভিযোগ অস্বীকার করে তিনি বলেন, তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ মিথ্যা ও বানোয়াট।
লোহাগড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শরিফুল ইসলাম বলেন, ভুক্তভোগী নারী থানায় একটি জিডি করেছেন। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। তদন্ত সাপেক্ষে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এমএম
















