এছাড়াও বিগত কয়েক দিন আগে মৃদু শৈত্যপ্রবাহের কারণে জনজীবন কাহিল হয়ে পড়েছে এ জেলায়। টানা কয়েকদিন ধরে ক্রমশই কমেছিল রাতের তাপমাত্রা। প্রতিনিয়তই হচ্ছে তাপমাত্রার ছন্দপতন। কিছুটা বেড়েছে শীতের দাপট।
রোববার (১৬ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৯টায় ১১ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করেছে তেঁতুলিয়া প্রথম শ্রেণির আবহাওয়া অফিস। এর আগে শুক্রবার এ জেলায় ১১.৩ ডিগ্রি তাপমাত্রা ছিল।
সকালে সরেজমিনে দেখা গেছে, হিমালয় থেকে বয়ে আসা হিমশীতল ঠান্ডা বাতাস আর কনকনে শীত উপেক্ষা করে জীবিকার তাগিদে ঘর থেকে বের হচ্ছেন সাধারণ মানুষ। যে যার সাধ্যমতো গরম কাপড় গায়ে জড়িয়ে বের হচ্ছেন নিজ গন্তব্যে। তাদের ভোগান্তি একটু বেশিই।
অপরদিকে, তীব্র শীতে অনেকটাই জনশূন্য হয়ে পড়েছে ব্যস্ততম সড়ক ও হাটবাজারগুলো। দিনের বেলা সূর্যের দেখা মিললেও ঠান্ডা বিরাজমান। ভোরে কুয়াশা থাকার কারণে বিভিন্ন সড়কগুলোতে হেডলাইট জ্বালিয়ে যানবাহনগুলোকে চলাচল করতে দেখা গেছে। এদিকে, শীতের কারণে হাসপাতালগুলোতে বাড়ছে শীতজনিত রোগীর সংখ্যা। বেশি আক্রান্ত হচ্ছে শিশু ও বয়স্করা।
তেঁতুলিয়া প্রথম শ্রেণির আবহাওয়া অফিসের অফিসার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জিতেন্দ্র নাথ রায় বলেন, হিমালয় অঞ্চল থেকে বয়ে আসা হিমশীতল কনকনে ঠান্ডা বাতাসে তেঁতুলিয়ায় ঠাণ্ডা অব্যাহত রয়েছে। রোববার সকাল ৯টায় তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১১ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। একসময়ে বাতাসের আর্দ্রতা ছিল ৮৫ শতাংশ ছিল।
এইচআর