সদর হাসপাতালের চর্ম ও যৌন রোগ বিশেষজ্ঞ ডা. লাইলা শামীমা শারমিন বলেন, স্ক্যাবিস দ্রুত সংক্রমিত হলেও প্রতিরোধযোগ্য। আক্রান্ত ব্যক্তির সঙ্গে পরিবারের সবাইকে একসাথে চিকিৎসা নিতে হবে। তা না হলে সংক্রমণ পুনরায় ফিরে আসে। গরম ও বর্ষাকালে এই রোগের প্রকোপ বেশি দেখা যায়।

তিনি আরও বলেন, অনেকে ফার্মেসি থেকে নিজে নিজে ওষুধ নিয়ে শুরু করেন, ফলে সঠিক চিকিৎসা না হলে জটিলতা তৈরি হতে পারে। সময়মতো চিকিৎসা না নিলে কিডনি ও ত্বকের সমস্যা দেখা দিতে পারে।

চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. বিদ্যুৎ কুমার বিশ্বাস জানান, স্ক্যাবিস ও দাউদ অত্যন্ত সংক্রামক রোগ। আর্দ্র পরিবেশে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। বর্তমানে বাজারে ওষুধের কার্যকারিতা কমে যাওয়ায় সংক্রমণ বেড়েছে। ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় রোগ দ্রুত ছড়াচ্ছে। আজও প্রায় ১৫০ এর বেশি রোগী চিকিৎসা নিয়েছেন। কিছু ওষুধের সংকট থাকলেও অতি শিগগিরই তা মিটে যাবে।

স্থানীয়রা জানান, দুই মাস ধরে হঠাৎ চুলকানি শুরু হয়, পরে তা পুরো শরীরে ছড়িয়ে পড়ে। অনেকে আবার পরিবারের অন্য সদস্যদের আক্রান্ত হতে দেখেছেন। একাধিক রোগী জানিয়েছেন, রাতে ঘুমানোও কষ্টকর হয়ে গেছে।

বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন থাকা, ঘনবসতিপূর্ণ পরিবেশ এড়িয়ে চলা এবং সময়মতো চিকিৎসা নেওয়াই সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণের সবচেয়ে কার্যকর উপায়। আবাসিক মাদরাসা, ছাত্র হোস্টেল এবং ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় সংক্রমণ সবচেয়ে দ্রুত ছড়াচ্ছে।

এনএইচ