শনিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৩টার দিকে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদরের মহারাজপুর ইউনিয়নের ঘোড়া স্ট্যান্ড সংলগ্ন মাঠে জাবালুন নুর ফাউন্ডেশনের আয়োজিত তাফসির মাহফিলে তিনি এসব কথা বলেন।
মিজানুর রহমান আজহারী বলেন, তোমরা দেখিয়ে দিয়েছো কীভাবে জালিমদের শায়েস্তা করতে হয়। চোখের ইশারায় কী তাদের কানেক্টিভিটি, কি তাদের বোঝাপড়া। ১৬-১৭ বছরে যেটা করা যায় নাই অল্প কয়েকদিনের ব্যবধানে তাদের ইউনিটি গোটা বাংলাদেশকে উজ্জীবিত করেছে। এই উচ্ছ্বাস, এই ইউনিটি আমাদের বজায় রাখতে হবে। এজন্য আগামীর বাংলাদেশ ঐক্যবদ্ধ বাংলাদেশ। তাই আমরা এমন এক রাজনৈতিক বন্দোবস্ত চাই, যেখানে কেউ কাউকে জুলুম করার সাহস দেখাবে না। নতুন করে আর কেউ জালিম হবে না। নতুন করে ফ্যাসিস্টরা আর দুঃসাহস দেখাতে পারবে না। নতুন ভোরের বাংলাদেশে এগুলোর পুনরাবৃত্তি আমরা চাই না।
তিনি বলেন, আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসগুলোতে উন্নতমানের রিসার্চ হোক। যেগুলো আমরা অন্যান্য দেশে দেখি, যে ছাত্রের হাতে কলম লেগেছে, সে হাতে অস্ত্রের স্পর্শ না লাগুক। আমরা নতুন বাংলাদেশে বুক ভরা স্বপ্ন নিয়ে এগোতে চাই। এক রাজনৈতিক দল অন্য রাজনৈতিক দলকে সম্মান করবে, শ্রদ্ধা করবে। এমন নেতা আমরা চাই, যে নেতা অসুস্থ হলে আমরা সারাদেশের মানুষ জায়নামাজ বিছিয়ে মোনাজাতে চোখের পানি ছেড়ে তার জন্য দোয়া করব।
মিজানুর রহমান আজহারী বলেন, নতুন ভোরের বাংলাদেশ। এখন আমাদের ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। বিচ্ছিন্ন থাকলে হবে না। আমি একটা কথা প্রায় বলি, যখন আমরা একা থাকি তখন আমরা ব্যক্তি, যখন আমরা সবাই মিলি তখন আমরা শক্তি। আমাদের এই ইউনিটি, আমাদের এই ঐক্যবদ্ধ শক্তিকে আগামীর ইসলামের জন্য কাজে লাগাতে হবে।
তাফসির মাহফিলে জাবালুন নুর ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা জামায়াতের আমির মাওলানা আবু জার গিফারীর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সদস্য ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণের আমির নুরুল ইসলাম বুলবুল। এছাড়াও প্রথম অধিবেশনে আলোচনা করেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের আরবি বিভাগের অধ্যাপক ড. গিয়াস উদ্দিন তালুকদার ও বাংলাদেশ মাজলিসুল মুফাসসিরিনের সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা মো. নুরুল আমিন।
এনএইচ