এছাড়া উসতা, মুলা, কচুর লতি, চিচিঙ্গা, গোল বেগুন, করলা, লম্বা বেগুন, পটল, ধনে পাতা, ঢ্যাঁড়স, বরবটি সহ সব ধরনের সবজির দামও রীতিমতো ঊর্ধ্বমুখী।

বুধবার (৮ অক্টোবর) জেলা শহরের গাছবাড়ী, নিউমার্কেট, মাথার মোড়, উকিলের মোড়, কিচেন মার্কেট, কালিতলা বাজার, আনন্দ বাবুর পুল ও টুপির মোড় কাঁচাবাজার ঘুরে দেখা গেছে, বেশির ভাগ সবজি ও কাঁচা মরিচ এখন সাধারণ ভোক্তাদের নাগালের বাইরে।

বর্তমান বাজার দর-করলা ৬০-৮০ টাকা কেজি, গোল বেগুন ৮০-১০০ টাকা কেজি, ঢ্যাঁড়স ৮০-১০০ টাকা কেজি, পটল ৮০-৯০ টাকা কেজি, কাঁকরোল ৬০ টাকা কেজি, ঝিঙা ৬০-৭০ টাকা কেজি, গাজর ১২০-১৪০ টাকা কেজি, শসা ৭০-৮০ টাকা কেজি, বরবটি ১০০-১২০ টাকা কেজি, টমেটো ১০০-১২০ টাকা কেজি, শিম ২০০ টাকার ওপরে।

কিচেন মার্কেটের খুচরা ব্যবসায়ী রঞ্জিত কুমার রায় জানান, পাইকারি বাজারে সরবরাহ না থাকায় কাঁচা মরিচের কেজি ২৪০ টাকায় বিক্রি করা হচ্ছে। তিনি বলেন, টানা বৃষ্টিতে দেশের বিভিন্ন জেলার মরিচের ক্ষেত নষ্ট হয়েছে এবং পচনশীলতা বেড়ে যাওয়ায় সরবরাহ কমে গেছে।

একই মার্কেটের ব্যবসায়ী নুর ইসলাম বলেন, কয়েক দিনের বৃষ্টিতে কাঁচা মরিচ আমদানি বন্ধ থাকায় দাম বেড়েছে। তিনি বলেন, কিছুটা লাভ রাখতে কেজিতে ১৬০ টাকা বিক্রি করা হচ্ছে।

বাজারে ক্রেতা অভিযোগ করেন, সবজির তেমন ঘাটতি না থাকলেও ব্যবসায়ীরা নানা অজুহাতে দাম বাড়াচ্ছেন। একই বাজারে একই মরিচ দুই দামে বিক্রি হচ্ছে—একজন বিক্রি করছেন ১৬০ টাকায়, আরেকজন ২৪০ টাকায়।

জেলা কৃষিজাত পণ্য বিক্রয় ও বিপণন কর্মকর্তা এ টি এম এরশাদ আলম খান বলেন, বিভিন্ন উপজেলায় মনিটরিং চলছে। কয়েক দিনের মধ্যে কিচেন মার্কেটে অভিযান চালানো হবে। কিছু অসাধু ব্যবসায়ী বাজার পরিস্থিতি অস্থির করে অতিরিক্ত মুনাফা নিচ্ছে, তাদের দ্রুত আইনের আওতায় আনা হবে।

এনএইচ