সুশাসনের জন্য নাগরিক সুজন এর সম্পাদক ড.বদিউল আলম মজুমদার ও জেড আই খান পান্না (এডভোকেট সুপ্রিম কোর্ট) এর পক্ষ থেকে প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও অন্য চারজন কমিশনার ও নির্বাচন কমিশনের সচিবকে পৃথক পৃথকভাবে উপজেলা নির্বাচনের প্রার্থীদের প্রদত্ত হলফনামার তথ্য প্রচার না করার জন্য তাদের বিরুদ্ধে কেন আদালত অবমাননার অভিযোগ আনা হবে না সে মর্মে একটি লিগ্যাল নোটিশ দেওয়া হয়েছে।
লিগ্যাল নোটিশে আবদুল মোমেন চৌধুরী বনাম বাংলাদেশ মামলার রায়ে নির্বাচন কমিশনকে নির্বাচনে প্রার্থীদের হলফনামায় প্রদত্ত ৭টি তথ্য জনসম্মুখে প্রচার করার জন্য হাইকোর্ট ২০০৫ সালে নির্দেশ প্রদাণ করেন, কিন্তু সেই নির্দেশ ভঙ্গ করে আসন্ন ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০১৪ থেকে শুরু হতে যাওয়া উপজেলা নির্বাচনের প্রার্থীদের তথ্য নির্বাচন কমিশন প্রদান করেননি যেটা আদালত অবমাননার সামিল বলে লিগ্যাল নোটিশে দাবি করা হয়েছে।
প্রার্থীদের হলফনামার এই তথ্যগুলো আগামী শনিবার ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৪ দুপুরের মধ্যে নির্বাচন কমিশনের ওয়েব সাইটসহ অন্যান্য মাধ্যমে প্রচার না করা হলে প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও অন্য কমিশনারদের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননাসহ অন্যান্য প্রযোজ্য আইনী ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে লিগ্যাল নোটিশে উল্লেখ করা হয়। লিগ্যাল নোটিশটি এ বি এম সিদ্দিকুর রহমানের মাধ্যমে জারি করা হয়।
বুধবার সন্ধ্যা পর্যন্ত নির্বাচন কমিশনারের পক্ষ থেকে লিগ্যাল নোটিশটি গ্রহণ করায় অসম্মতির প্রেক্ষিতে আগামী কাল ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৪ তারিখ সকালে লিগ্যাল নোটিশটি আবার প্রদান করার চেষ্টা করা হবে। উল্লেখ্য যে, রেজিস্ট্রার পোষ্টের মাধ্যমেও লিগ্যাল নোটিশটির অনুলিপি ইসিতে প্রেরণ করা হয়েছে।
[b]ঢাকা,১৩ ফেব্রুয়ারি(টাইমনিউজবিডি.কম)//এএইচ[/b]
সিইসিসহ নির্বাচন কমিশনারদের সুজনের লিগ্যাল নোটিশ
সুশাসনের জন্য নাগরিক সুজন এর সম্পাদক ড.বদিউল আলম মজুমদার ও জেড আই খান পান্না (এডভোকেট সুপ্রিম কোর্ট) এর পক্ষ থেকে প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও অন্য চারজন কমিশনার ও নির্বাচন কমিশনের সচিবকে পৃথক পৃথকভাবে উপজেলা নির্বাচনের
ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচন জাতীয় নির্বাচনের মতোই গুরুত্বপূর্ণ: সিইসি
ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনকে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মতোই সমান গুরুত্ব দিয়ে পরিচালনা করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন। তিনি বলেছেন, পুরো নির্বাচনি কার্যক্রম কেন্দ্রীয়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। নির্বাচন কমিশন একটি অবাধ, সুষ্ঠু, স্বচ্ছ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন আয়োজন করতে চায়।
আন্দোলনকারীরা ভারতের সিইসি’র পদত্যাগ চাইছেন কেন !
ভারতের নির্বাচন কমিশনের ভোটার তালিকা সংশোধন কার্যক্রম ঘিরে বিক্ষোভ করছেন বিরোধীরা। তাদের অভিযোগ, ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়ায় ভোটাধিকার হারিয়েছেন লাখ লাখ নয়, বরং কয়েক কোটি যোগ্য ভোটার। তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্যসংখ্যক মুসলিম রয়েছেন।
সিইসির পদত্যাগ না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলনের ঘোষণা সিজেপির
ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ এবং নির্বাচনী ব্যবস্থার সংস্কারের দাবিতে ১০ অক্টোবর দিল্লিতে বিক্ষোভের ঘোষণা দিয়েছে ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি) ও কয়েকটি ছাত্র সংগঠন। আন্দোলনকারীরা বলছে, শুধু সিইসির পদত্যাগ নয়, নির্বাচনী ব্যবস্থায় সংস্কার না হওয়া পর্যন্ত তাদের আন্দোলন চলবে।
সিইসির পদত্যাগ ছাড়া নির্বাচনে অংশ নেওয়া অর্থহীন: অভিজিৎ দীপকে
ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার পদে থাকলে আগামী নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে কোনো লাভ হবে না বলে মন্তব্য করেছেন ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে। তাঁর অভিযোগ, জ্ঞানেশ কুমারের নেতৃত্বে নির্বাচন কতটা নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠুভাবে অনুষ্ঠিত হবে, তা নিয়ে যথেষ্ট সংশয় রয়েছে। এমনকি ভোটের ফল আগেই নির্ধারণ করে রাখার আশঙ্কাও প্রকাশ করেছেন তিনি।
নারীদের জন্য লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত করতে হবে: সিইসি
প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন বলেছেন, নারীদের অংশগ্রহণের চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ তাদের কার্যকর অংশগ্রহণ। এজন্য নারীদের জন্য লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত করতে হবে।
















