রবিবার (৫ অক্টোবর) বিকাল সাড়ে ৪টার দিকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা জয়ন্ত কুমার অপু।
তিনি জানান, ৪ থেকে ৫ অক্টোবর বিকাল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত চরফ্যাশন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) এমদাদুল হোসেনের নেতৃত্বে বাংলাদেশ নৌবাহিনী ও পুলিশসহ চরফ্যাশন উপজেলার বেতুয়া, নতুন স্লুইসগেট, সামরাজ, মাইনউদ্দিন ঘাট, খেজুরগাছিয়া, পাঁচকপাট, আটকপাট, নুরাবাদ ও বকশি মৎস্য ঘাটে এ অভিযান চালানো হয়। এ সময় ২৬টি বরফকল সিলগালা করে সেগুলোর বৈদ্যুতিক সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়েছে।
এ কর্মকর্তা আরও বলেন, নদীতে মাছ ধরার সময় ৭টি ট্রলার আটক করা হয়। আটক ট্রলারের মাঝিদের মোট ৩৪ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। অভিযানকালে ১০ হাজার মিটার অবৈধ ইলিশ জাল জব্দ করে তা পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়েছে, যার বাজার মূল্য আনুমানিক ৮ লাখ টাকা।
মৎস্য কর্মকর্তা জয়ন্ত কুমার অপু জানান, ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা কার্যকরভাবে বাস্তবায়নের জন্য কঠোর অভিযান চালানো হচ্ছে। কোনও অসাধু জেলে বা ট্রলার মালিককে নদীতে নামতে দেওয়া হবে না। মা ইলিশ যাতে নিরাপদে ডিম দিতে পারে, তার জন্য নিয়মিত টহল ও অভিযান অব্যাহত থাকবে।
উল্লেখ্য, ইলিশের প্রধান প্রজনন মৌসুমে মা ইলিশ রক্ষায় সরকার ৪ থেকে ২৫ অক্টোবর পর্যন্ত মেঘনা ও তেঁতুলিয়া নদীসহ উপকূলীয় এলাকায় সব ধরনের মাছ ধরা, পরিবহন ও বাজারজাতকরণ নিষিদ্ধ করেছে সরকার।
এমএম