দুদক জানায়, তদন্তে আনিসুল হকের স্বনামে ও বেনামে মোট ১৮০ কোটি ৮৫ লাখ ৭৩ হাজার ৮৮১ টাকা মূল্যের স্থাবর-অস্থাবর সম্পদ অর্জনের তথ্য পাওয়া গেছে। এর বিপরীতে তার বৈধ আয় থেকে পারিবারিক ব্যয় বাদ দিয়ে নিট গ্রহণযোগ্য আয় পাওয়া যায় আট কোটি ৬১ লাখ ৪০ হাজার ৯৪০ টাকা। ফলে জ্ঞাত আয়ের উৎসের সঙ্গে অসংগতিপূর্ণ ১৭২ কোটি ২৪ লাখ ৩২ হাজার ৯৪১ টাকা মূল্যের সম্পদ অর্জনের তথ্য পাওয়া গেছে।

এছাড়া তার স্বার্থসংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের ২৩টি ব্যাংক হিসাবে ৩৭৫ কোটি ৫০ লাখ ৯৯ হাজার ৪৫২ টাকা জমা এবং ৩৬১ কোটি ৭৩ লাখ ২৭ হাজার ১২৯ টাকা উত্তোলনের খবর পাওয়া গেছে। এসব হিসাবে মোট ৭৩৭ কোটি ২৪ লাখ ২৬ হাজার ৫৮১ টাকার অস্বাভাবিক ও সন্দেহজনক লেনদেন হয়েছে।

সূত্র জানান, আনিসুলের ছোট ভাইয়ের স্ত্রী জেবুন্নেসা বেগম হকের নামে ২৩ কোটি ৩২ লাখ ২,৩২১ টাকা, ভাগনে শেখ ইফতেখারুল ইসলামের নামে ২০ কোটি ৭১ লাখ ৮১ হাজার ৪৪৪ টাকা এবং কাজিন পরিচয়ধারী মোহাম্মদ ইকবালের নামে ৪০ কোটি এক লাখ ২৩ হাজার ২৩৬ টাকা মূল্যের অস্থাবর সম্পদ রয়েছে।

দুদক আরো জানায়, জেবুন্নেসা বেগমের নামে থাকা সম্পদের মধ্যে সিটিজেনস ব্যাংকের ১০ কোটি টাকার শেয়ার এবং ১৩ কোটি টাকার এফডিআর রয়েছে। শেখ ইফতেখারুল ইসলামের নামে সিটিজেনস ব্যাংকের ২০ কোটি টাকার বেশি শেয়ার এবং মোহাম্মদ ইকবালের নামে ৪০ কোটি টাকার বেশি শেয়ার রয়েছে।

এমএম