শরীয়তপুর-১ আসনের সরকার দলীয় সংসদ সদস্য ও আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক এবিএম মোজাম্মেল হকের বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার ,নানা অনিয়ম এবং বিপুল পরিমান অবৈধ সম্পদের অনুসন্ধান শুরু করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
বৃহস্পতিবার দুদক চেয়ারম্যানের সভাপতিত্বে কমিশনের এক সভায় দুদকের সহকারি পরিচালক শেখ আবদুস সালামকে অনুসন্ধানী কর্মকর্তা নিয়োগ দেয়া হয়েছে।
এই বিষয়টি টাইমনিউজবিডিকে নিশ্চিত করেছে দুদকের জন সংযোগ কর্মকর্তা প্রনব কুমার ভট্টাচার্য্য। অভিযোগ রয়েছে, এবিএম মোজাম্মেল হক এমপি এবং স্থানীয় ৩ জন ইউপি চেয়ারম্যান সরকারি অর্থ দিয়ে নিজস্ব পুকুর এবং ২টি খাল খনন করেছে যা সম্পূর্ণভাবে জনস্বার্থের বাইরে। মৎস্য উন্নয়ন অধিদফতরের আওতায় জাজিরা,গোসাইরহাট ও ভেদরগঞ্জ উপজেলায় ৩টি প্রকল্পের মাধ্যমে ১১টি পুকুর ও খাল খনন করা হয়। ওই জলাশয়গুলোর সবই সংসদ সদস্য, চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ নেতাদের বাড়ির পুকুর।
আর সরকারি টাকায় খননকৃত পুকুরগুলো হল শরীয়তপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য এবিএম মোজাম্মেল হকের নিজ বাড়ির একটি পুকুর (জাজিরা বিলাশপুর জানখার কান্দি ভূঁইয়া বাড়ির পেছনের পুকুর), গোসাইরহাট উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ নাসির উদ্দিনের বাড়ির একটি পুকুর, তার শ্বশুর ও একই উপজেলার কুচাইপট্টি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আবুল বাশার মুন্সীর বাড়ির দুইটি পুকুর, আলাওলপুর ইউপি চেয়ারম্যান আমজাদ হোসেন বেপারীর বাড়ির দু'টি পুকুর এবং ভেদরগঞ্জ উপজেলার দক্ষিণ তারাবুনিয়া ইউপি চেয়ারম্যান শাহ জামাল মালের বাড়ির তিনটি পুকুর।
এছাড়া জাজিরা উপজেলায় সেনেরচর ও বিকেনগর ইউনিয়নে নামমাত্র দু'টি খাল খনন করা হয়েছে।
জানা যায়, ২০১২-১৩ অর্থবছরে শরীয়তপুরের ৩টি নির্বাচনী এলাকার ৩ জন সংসদ সদস্যের ডিও পত্রের মাধ্যমে তাদের পছন্দের লোকদের দিয়ে প্রায় সাড়ে ৩১ লাখ টাকায় ৯টি পুকুর ও ২টি খাল খননের কাজ করানো হয়।
গোপালগঞ্জ মৎস্য অধিদফতরের অধীনে শরীয়তপুর জেলা মৎস্য বিভাগ এ জলাশয়গুলো ৩টি বিশেষ প্রকল্পের নামে বাস্তবায়ন করেছে। প্রল্পগুলো হল- বৃহত্তর ফরিদপুর জেলা মৎস্য উন্নয়ন প্রকল্প, অর্থনৈতিকভাবে পশ্চাৎপদ এলাকার জনগণের দারিদ্র্য বিমোচন ও জীবিকা নির্বাহ নিশ্চিতকরণ প্রকল্প (মঙ্গা প্রকল্প) ও বন্যা নিয়ন্ত্রণ ও সেচপ্রকল্প এলাকাসহ অন্যান্য জলাশয়ে সমন্বিত মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উন্নয়ণ (এফসিডিআই) প্রকল্প।
[b]ঢাকা. // একে // ১০ এপ্রিল (টাইমনিউজবিডি.কম) // জেআই[/b]
এমপি মোজাম্মেলের বিরুদ্ধে দুদকের অনুসন্ধান শুরু
শরীয়তপুর-১ আসনের সরকার দলীয় সংসদ সদস্য ও আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক এবিএম মোজাম্মেল হকের বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার ,নানা অনিয়ম এবং বিপুল পরিমান অবৈধ সম্পদের অনুসন্ধান শুরু করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
মনিরুল ও তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে দুদকের মামলা
পলাতক সাবেক অতিরিক্ত আইজিপি (এসবি) মনিরুল ইসলাম ও তার স্ত্রী সাবেক অতিরিক্ত সচিব সায়লা পারভিনসহ চারজনের বিরুদ্ধে অবৈধ উপায়ে ৩৮ কোটি টাকা অর্জনের অভিযোগে দুটি মামলা দায়ের করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। মামলার অন্য দুই আসামি হলেন মনিরুলের শ্যালক ও তার স্ত্রী।
দুদকের মামলায় গ্রেপ্তার সাবেক নৌপরিবহনমন্ত্রী শাজাহান খান
ক্ষমতার অপব্যবহার করে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) করা মামলায় সাবেক নৌপরিবহনমন্ত্রী শাজাহান খান ও তার ছেলে আসিবুর রহমানকে গ্রেপ্তার দেখিয়েছে আদালত।
দুদকের প্রেস ব্রিফিংয়ের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে আসিফ মাহমুদের রিট
অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার দুর্নীতির অভিযোগ দুর্নীতি দমন কমিশনের অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট আবেদন করা হয়েছে। একইসঙ্গে কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে তদন্ত শেষ হওয়ার আগে প্রেস ব্রিফিংয়ের মাধ্যমে তার সম্মানহানি না করার নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে রিটে।
আসিফ মাহমুদ ও স্ত্রীর সম্পদের তথ্য চাইল দুদক
অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া ও তার স্ত্রী আয়েশা আক্তার পান্নার দেশ-বিদেশের সম্পদ, ব্যাংক হিসাব ও অর্থপাচারের তথ্য চেয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। এ বিষয়ে বাংলাদেশের ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিটের (বিএফআইইউ) কাছে চিঠি পাঠিয়েছে সংস্থাটি।
দুদকের তলবে হাজির হননি সাবেক সেনাপ্রধান শফিউদ্দিন
অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ অনুসন্ধানে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) তলবে হাজির হননি সাবেক সেনাপ্রধান জেনারেল (অব.) এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ। সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) দুদকের প্রধান কার্যালয়ে হাজির হয়ে বক্তব্য দেওয়ার কথা থাকলেও তিনি ৩০ দিনের সময় চেয়েছেন।
















