এছাড়া গরুর মাংস কেজিতে ৮০০ টাকা, ছাগলের মাংস ১,২৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। রমজানের আগে গরুর মাংস ৭০০-৭৫০ টাকায় পাওয়া যেত, এখন ৮০০ টাকার নিচে বিক্রি হচ্ছে না।
শুক্রবার (৩ এপ্রিল) রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।
বাজারে ভালো মানের চিংড়ি মাছ ৭০০ থেকে ১,৬০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। অন্যান্য মাছের মধ্যে রুই ৩৫০-৪২০ টাকা, কাতলা ৩২০-৩৮০ টাকা, তেলাপিয়া ২০০-২৮০ টাকা, পাঙ্গাস ১৮০-২৫০ টাকা, শিং ৪০০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। দেশি ও চাষ করা কই ৩০০-৬০০ টাকার মধ্যে বিক্রি হচ্ছে। কাঁচকি ৪৫০-৫০০ টাকা, মলা ৩০০-৩৫০ টাকা, পাবদা ৩০০-৬০০ টাকা এবং গলদা চিংড়ি ৬৫০-৭৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
ছুটির দিনে রাজধানীর হাতিরপুলে বাজার করতে এসেছেন বেসরকারি চাকরিজীবী সাইদুল ইসলাম। তিনি বলেন, অনেক দিন ধরে বাজারে আসা হয় না। আজ বাজারে এসে দেখলাম সবকিছুর দাম বেড়েছে। বাজারে কোনো কিছুর দামই স্থিতিশীল থাকে না। বিক্রেতারা একেক সপ্তাহে একেক পণ্যের দাম বাড়িয়ে ভোক্তার পকেট কাটে। ইলিশ মাছ আর মাংসের যে দাম, তাতে হাত দেওয়া যায় না।
আরেক ক্রেতা নাজিবুর রহমান বলেন, প্রতিদিনই নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বাড়ছে। বিক্রেতারা যার কাছে যেমন পাচ্ছেন, তেমন দাম নিচ্ছেন; যেন দেখার কেউ নেই। তাদের কাছ থেকে ইলিশ কেনা খুব কঠিন। সাধারণ মানুষ ইলিশ কিনতে পারছে না। ইলিশের দাম বেশি থাকায় আমি নিজেও ইলিশ না কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।
বিক্রেতারা বলছেন, ৪০০-৫০০ গ্রাম ওজনের ইলিশ ১,৪০০-১,৫০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। তবে বৈশাখের আগে দাম আরও বাড়বে কি না, তা নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না। প্রতিদিনই দাম বাড়ছে। দাম বৃদ্ধির কারণে মাছের বিক্রিও কমেছে, যা অনেক সাধারণ ভোক্তার নাগালের বাইরে।
এনএইচ