বাজার বিশ্লেষণে দেখা গেছে, ডিএসইতে লেনদেন শুরু হয় বেশিরভাগ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দাম বাড়ার মাধ্যমে। ফলে লেনদেনের শুরুতে সূচকের ঊর্ধ্বমুখিতার দেখা মিলে। লেনদেনের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত বেশিরভাগ বিমা কোম্পানির শেয়ার দাম বাড়ার প্রবণতা অব্যাহত থাকে। তবে লেনদেনের শেষদিকে অন্য খাতের বেশকিছু প্রতিষ্ঠানের শেয়ার দাম কমে যায়। এতে বড় হয় দাম কমার তালিকা।
দিনের লেনদেন শেষে ডিএসইতে সব খাত মিলে দাম বাড়ার তালিকায় নাম লিখিয়েছে ১৫২টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিট। বিপরীতে দাম কমেছে ১৮৬টির। আর ৫৫টির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। অপরদিকে ৪১টি বিমা কোম্পানির শেয়ার দাম বাড়ার বিপরীতে কমেছে ১৬টির দর।
দাম কমার তালিকা বড় হওয়ার পরও ডিএসইর প্রধান মূল্যসূচক ডিএসইএক্স আগের দিনের তুলনায় ১৩ পয়েন্ট বেড়ে ৫ হাজার ২৪৩ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। অন্য দুই সূচকের মধ্যে বাছাই করা ভালো ৩০ কোম্পানি নিয়ে গঠিত ডিএসই-৩০ সূচক আগের দিনের তুলনায় ১ পয়েন্ট বেড়ে ১ হাজার ৯৯০ পয়েন্টে উঠে এসেছে। আর ডিএসই শরিয়াহ সূচক ১ পয়েন্ট বেড়ে ১ হাজার ৬৫ পয়েন্টে অবস্থান করছে।
মূল্যসূচক বাড়লেও পাশাপাশি ডিএসইতে লেনদেনের পরিমাণ কমেছে। বাজারটিতে লেনদেন হয়েছে ৮৫৬ কোটি ৯ লাখ টাকা। আগের কার্যদিবসে লেনদেন হয় ১ হাজার ১০১ কোটি ৫২ লাখ টাকা। এ হিসাবে আগের কার্যদিবসের তুলনায় লেনদেন কমেছে ২৪৫ কোটি ৪৩ লাখ টাকা।
অন্য শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সার্বিক মূল্যসূচক সিএএসপিআই কমেছে ১৩ পয়েন্ট। বাজারটিতে লেনদেনে অংশ নেওয়া ২২৭ প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ৯৫টির দাম বেড়েছে। বিপরীতে দাম কমেছে ১০৫টির এবং ২৭টির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। লেনদেন হয়েছে ৩৪ কোটি ৬৩ লাখ টাকা। আগের কার্যদিবসে লেনদেন হয় ২১ কোটি ৫ লাখ টাকা।
এমএম