চলতি বাজেটের চেয়ে প্রস্তাবিত বাজেটে কৃষিতে বরাদ্দ কমায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশ কৃষক সমিতির নেতারা।
শুক্রবার এক বিবৃতিতে সমিতির কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি মোর্শেদ আলী ও সাধারণ সম্পাদক কাজী সাজ্জাদ জহির চন্দন এ ক্ষোভ প্রকাশ করেন।
বিবৃতিতে নেতারা বলেন, চলতি বাজেটে বরাদ্দ আছে ৫.৬৮ শতাংশ। প্রস্তাবিত বাজেটে তা থেকে কমিয়ে ৪.৯৮ শতাংশ করা হয়েছে। যদিও টাকার অংকে চলতি বছরের চেয়ে প্রস্তাবিত বাজেটে ১১১ কোটি টাকা বেশি বরাদ্দ রাখা হয়েছে।
তবে গত বছরের তুলনায় ক্রমবর্ধমান উৎপাদন খরচ বেড়ে যাবার তুলনায় তা নিতান্তই হাস্যকর কৃষিখাতে বাজেট। মোট বাজেটে অন্যান্য খাতের চেয়ে কৃষিতে গুরুত্ব কম দেয়ায় প্রতি বছরের মতো এবারো কৃষক ক্ষতির সম্মুখীন হবে।
বিবৃতিতে তারা বলেন, অর্থমন্ত্রী কৃষকদের অবদানের স্বীকৃতি জন্য কৃষি খাতে করমুক্ত আয় সীমা ৫০ হাজার থেকে বাড়িয়ে দুই লাখ করেছে। কিন্তু প্রান্তিক গরীব কৃষক কর দিবে কোথা থেকে তার উৎপাদন খরচই উঠাতে হিমশিম খাচ্ছে। এতে ধনী কৃষকরা লাভবান হলেও প্রান্তিক কৃষকের কোনো লাভ হবে না।
এছাড়াও কৃষকের উপকরণ সহায়তা দেয়া পণ্যের উৎপাদন বাড়াতে নেয়া কার্যক্রম গতিশীল রাখা, কৃষি গবেষণা, কৃষি ভিত্তিক শিল্প গড়ে তোলাসহ বিভিন্ন অঙ্গীকারের ফুলঝুরি বক্তব্য দিলেও তার সুস্পষ্ট ব্যাখ্যা নেই।
তারা আরও বলেন, ফসলের লাভজনক দাম নিশ্চিত করার জন্য ইউনিয়নে ইউনিয়নে সরকারি ক্রয় কেন্দ্র চালু করে খোদ কৃষকের কাছ থেকে ফসল ক্রয়, সার-বীজ-কীটনাশক-ডিজেল-বিদ্যুৎসহ কৃষি উপকরণের দাম কমানোসহ এ বিষয়ে কোনো সুস্পষ্ট উদ্যোগ না থাকায় এ বাজেট কৃষিবান্ধব তো নয়ই বরং মোট বাজেট থেকে বরাদ্দ কমানোর ফলে কৃষকরা আরও হতাশার সম্মুখীন হবে।
চলতি বাজেটে কৃষির বরাদ্দ ১২ হাজার ২৭৯ কোটি টাকা। প্রস্তাবিত বাজেটে ১২ হাজার ৩৯০ কোটি টাকা। ফলে প্রকৃত বরাদ্দ ১১১ কোটি টাকা বাড়লেও চলতি বাজেট ২ লাখ ১৬ হাজার ২২২ কোটি টাকা থেকে বেড়ে প্রস্তাবিত বাজেটে করা হয়েছে ২ লাখ ৫০ হাজার ৫০৬ কোটি টাকা।
বাজেটের আকার বেড়েছে ৫.৩৯ শতাংশ। কিন্তু কৃষির বরাদ্দ আনুপাতিক হাড়ে না বেড়ে বরং কমানো হয়েছে। নেতৃবৃন্দ ক্ষুদে প্রান্তিক কৃষক বাঁচাতে, কৃষি বাঁচাতে বাজেটে বরাদ্দ বাড়ানোর দাবি জানান।
[b]ঢাকা, আইএইচ, ৬ জুন (টাইমনিউজবিডি.কম) // এআর[/b]
কৃষিতে বরাদ্দ কমায় কৃষক সমিতির ক্ষোভ
চলতি বাজেটের চেয়ে প্রস্তাবিত বাজেটে কৃষিতে বরাদ্দ কমায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশ কৃষক সমিতির নেতারা। বিবৃতিতে নেতারা বলেন, মোট বাজেটে অন্যান্য খাতের চেয়ে কৃষিতে গুরুত্ব কম দেয়ায় প্রতি বছরের মতো এবারো কৃষক ক্ষতির সম্মুখীন হবে
ফ্যামিলি ও কৃষক কার্ডে কমবে মূল্যস্ফীতির চাপ ও দারিদ্র্য: বিশ্বব্যাংক-আইএমএফ
মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংকট ও উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া দীর্ঘস্থায়ী মূল্যস্ফীতির কারণে সাধারণ মানুষ, বিশেষ করে নিম্ন আয়ের শ্রমজীবী জনগোষ্ঠী চাপে থাকলেও সরকারের ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড ও সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচি মানুষের দুর্ভোগ লাঘব এবং দারিদ্র্য হ্রাসে কার্যকর ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছে বিশ্বব্যাংক ও আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ)। এসব কর্মসূচির মাধ্যমে দারিদ্র্যসীমার নিচে চলে যাওয়া মানুষকে দারিদ্র্য থেকে বের করে আনার পাশাপাশি নতুন করে মানুষের দারিদ্র্যসীমার নিচে নেমে যাওয়া ঠেকানো সম্ভব হবে।
হিমাগারে আলু রেখে লোকসানের মুখে কৃষকরা
হিমাগারে রেখে পরে ভালো দামে আলু বিক্রির আশায় ছিলেন কৃষক ও ব্যবসায়ীরা। তবে সেই আশা পূরণ হচ্ছে না। হিমাগার ভাড়া, পরিবহন ও অন্যান্য খরচ মিলিয়ে প্রতি কেজি আলুর দাম পড়েছে ১৯ থেকে ২০ টাকা। অথচ বাজারে সেই আলু বিক্রি হচ্ছে ১৪ টাকা কেজি দরে। এতে কেজিতে ৫ থেকে ৬ টাকা লোকসান গুনতে হচ্ছে তাদের।
নাটোরে বিষ প্রয়োগে কৃষকের ৩ বিঘা জমির ধান নষ্ট
নাটোরের লালপুরে আগাছানাশক বিষ প্রয়োগ করে এক কৃষকের প্রায় তিন বিঘা জমির ধান নষ্ট করে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। জমিসংক্রান্ত বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে এ অভিযোগ করেছেন কৃষক মোজাম্মেল। এতে তার প্রায় দুই লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেছেন তিনি।
জাতিসংঘ অধিবেশন সময়মতো যুদ্ধের অস্ত্র পৌঁছে অথচ কৃষক সার পায় না: নেপালের প্রধানমন্ত্রী
জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে প্রথমবারের মতো ভাষণ দিতে গিয়ে বর্তমান বৈশ্বিক ব্যবস্থার তীব্র সমালোচনা করেছেন নেপালের প্রধানমন্ত্রী বালেন্দ্র শাহ। যুদ্ধের জন্য অস্ত্র ও গোলাবারুদ সীমান্ত পেরিয়ে দ্রুত পৌঁছে গেলেও কৃষকের কাছে সময়মতো সার ও জ্বালানি পৌঁছায় না- এই বৈপরীত্য তুলে ধরে তিনি বলেন, বিশ্ব এমন এক ব্যবস্থা তৈরি করেছে যেখানে যুদ্ধের জন্য সরবরাহব্যবস্থা প্রায় নিখুঁত, কিন্তু খাদ্যের জন্য তা ভেঙে পড়েছে।
রাত ৩টায় লাইনে দাঁড়িয়েও সার পেলেন না কৃষকরা
কুড়িগ্রামে সার সংকট দেখা দিয়েছে। রাত ৩টায় ডিলার পয়েন্টে লাইনে দাঁড়িয়েও সার পেলেন না কৃষকরা।
















