রোববার (১০ মে) গণমাধ্যমকে এ তথ্য জানিয়েছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান।

বাংলাদেশ ব্যাংক-এর সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, মার্চ-এপ্রিল সময়ের আকুর বিল বাবদ মোট ১ হাজার ৫১৪ দশমিক ৯৪ মিলিয়ন বা প্রায় ১ দশমিক ৫১ বিলিয়ন ডলার পরিশোধ করা হয়েছে।

এর ফলে ১০ মে পর্যন্ত দেশের গ্রস রিজার্ভের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৩৪ হাজার ১৪০ দশমিক ০২ মিলিয়ন বা ৩৪ দশমিক ১৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।

অন্যদিকে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ)-এর বিপিএম-৬ হিসাব পদ্ধতি অনুযায়ী দেশের রিজার্ভ এখন ২৯ হাজার ৪৭৯ দশমিক ২৭ মিলিয়ন বা ২৯ দশমিক ৪৭ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে।

এর আগে গত ৭ মে পর্যন্ত দেশের গ্রস রিজার্ভ ছিল ৩৫ হাজার ৬১৬ দশমিক ৬৯ মিলিয়ন বা ৩৫ দশমিক ৬১ বিলিয়ন ডলার। একই সময়ে বিপিএম-৬ পদ্ধতিতে রিজার্ভের পরিমাণ ছিল ৩০ হাজার ৯৬০ দশমিক ০৪ মিলিয়ন বা ৩০ দশমিক ৯৬ বিলিয়ন ডলার।

বিশেষজ্ঞদের মতে, আকুর আমদানি বিল পরিশোধের সময় রিজার্ভে সাময়িক চাপ তৈরি হওয়া স্বাভাবিক। তবে রপ্তানি আয় ও প্রবাসী আয় বাড়লে রিজার্ভ পরিস্থিতির উন্নতি হতে পারে।

উল্লেখ্য, আইএমএফের বিপিএম-৬ পদ্ধতিতে মোট রিজার্ভ থেকে স্বল্পমেয়াদি দায় বাদ দিয়ে নিট বা প্রকৃত রিজার্ভ নির্ধারণ করা হয়।

এস