শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ সময় সকাল ৮টা পর্যন্ত স্পট গোল্ডের দাম ০ দশমিক ২ শতাংশ বেড়ে প্রতি আউন্স ৪ হাজার ২৮৮ দশমিক ৩৬ ডলারে দাঁড়িয়েছে। একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের গোল্ড ফিউচার ০ দশমিক ৬ শতাংশ বেড়ে ৪ হাজার ৩২৩ দশমিক ১০ ডলারে উঠেছে।

বাজার বিশ্লেষকদের মতে, স্বর্ণের দামের ওপর এখন মূল প্রভাব ফেলছে যুক্তরাষ্ট্রের মুদ্রানীতির দিক। মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে ফেড আরও কঠোর অবস্থান নিতে পারে—এমন প্রত্যাশায় ডলার শক্তিশালী হলে অন্যান্য মুদ্রার ব্যবহারকারীদের কাছে ডলারে মূল্য নির্ধারিত স্বর্ণের দাম তুলনামূলক বেড়ে যায়।

এর পাশাপাশি মার্কিন ট্রেজারি বন্ডের মুনাফা বাড়ায় সুদ বা মুনাফা পাওয়া সম্পদের তুলনায় স্বর্ণের আকর্ষণ কিছুটা কমতে পারে। সাধারণত মূল্যস্ফীতির বিরুদ্ধে সুরক্ষা হিসেবে স্বর্ণকে বিবেচনা করা হলেও উচ্চ সুদহারের পরিবেশে এর চাহিদায় চাপ তৈরি হতে পারে।

ওএএনডিএর জ্যেষ্ঠ বাজার বিশ্লেষক কেলভিন ওং বলেন, বাজারের নজর এখন সুদহারের গতিপথের দিকে। ফেডের আরও কঠোর নীতি গ্রহণের প্রত্যাশা বাড়লে ডলার শক্তিশালী হওয়ার পাশাপাশি স্বর্ণের দামে নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।

সম্প্রতি ফেড সুদহার এক-চতুর্থাংশ শতাংশীয় পয়েন্ট বাড়িয়ে ৩ দশমিক ৭৫ থেকে ৪ শতাংশের মধ্যে নির্ধারণ করেছে। এরপর কয়েকজন ফেড কর্মকর্তা মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে আরও সুদহার বাড়ানোর প্রয়োজন হতে পারে বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন।

তবে বছরের বাকি সময়ে স্বর্ণের বাজার নিয়ে ইতিবাচক মতও রয়েছে। জে. রোটবার্ট অ্যান্ড কোম্পানির প্রতিষ্ঠাতা জোশুয়া রোটবার্টের মতে, ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা ও সরকারি ঋণ বাড়তে থাকায় নিরাপদ সম্পদ হিসেবে স্বর্ণের চাহিদা বজায় থাকতে পারে।

এদিকে অন্যান্য মূল্যবান ধাতুর মধ্যে স্পট রুপার দাম ০ দশমিক ১ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ৬৩ দশমিক ৮১ ডলারে নেমেছে। প্লাটিনামের দাম ০ দশমিক ৫ শতাংশ বেড়ে ১ হাজার ৭৫৬ দশমিক ৯০ ডলার এবং প্যালাডিয়ামের দাম ১ দশমিক ৩ শতাংশ কমে ১ হাজার ২৫৭ দশমিক ৫৬ ডলারে দাঁড়িয়েছে।

সূত্র: রয়টার্স

এস