বুধবার প্রকাশিত সর্বশেষ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস)।
বিবিএসের তথ্য অনুযায়ী, খাদ্য খাতে মূল্যস্ফীতি এপ্রিল মাসে বেড়ে হয়েছে ৮ দশমিক ৩৯ শতাংশ, যা আগের মাসে ছিল ৮ দশমিক ২৪ শতাংশ। এতে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজারে ভোক্তাদের ওপর চাপ আরও বেড়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
অন্যদিকে, খাদ্যবহির্ভূত খাতেও মূল্যস্ফীতি বেড়েছে। এ খাতে এপ্রিল মাসে মূল্যস্ফীতি দাঁড়িয়েছে ৯ দশমিক ৫৭ শতাংশে, যেখানে মার্চে তা ছিল ৯ দশমিক ০৯ শতাংশ। বাসাভাড়া, জ্বালানি ও পরিবহন ব্যয় বৃদ্ধিকে এর প্রধান কারণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
বিশ্লেষণে দেখা যায়, গত বছরের এপ্রিল মাসে সার্বিক মূল্যস্ফীতি ছিল ৯ দশমিক ১৭ শতাংশ। তখন খাদ্য খাতে হার ছিল ৮ দশমিক ৬৩ শতাংশ এবং খাদ্যবহির্ভূত খাতে ৯ দশমিক ৬১ শতাংশ।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মধ্যপ্রাচ্যের চলমান উত্তেজনা ও বৈশ্বিক অনিশ্চয়তার প্রভাব দেশের বাজারেও পড়ছে। ফলে আমদানি ব্যয় বাড়ছে এবং তার প্রভাব পড়ছে ভোক্তা পর্যায়ে।
সামগ্রিকভাবে, মাসভিত্তিক হিসাবে মূল্যস্ফীতি বৃদ্ধির এই প্রবণতা সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় আরও বাড়িয়ে দিচ্ছে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
এস