বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ প্রতিবেদনে দেখা গেছে, আগের অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় রেমিট্যান্স বেড়েছে প্রায় ১৬ শতাংশ। ২০২৪-২৫ অর্থবছরের প্রথম তিন মাসে প্রবাসী আয় ছিল ৬৫৪ কোটি ৩০ লাখ মার্কিন ডলার।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কর্মকর্তারা জানান, ব্যাংকিং চ্যানেলের মাধ্যমে পাঠানো বৈদেশিক আয়ে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভে ইতিবাচক প্রভাব পড়েছে। হুন্ডি প্রতিরোধে সরকারের উদ্যোগ, প্রণোদনা এবং ব্যাংকিং ব্যবস্থার উন্নতির কারণে রেমিট্যান্স প্রবাহে এই ধারাবাহিকতা বজায় রয়েছে।
তথ্য অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরের তৃতীয় মাস সেপ্টেম্বরে প্রবাসীরা দেশে পাঠিয়েছেন ২৬৮ কোটি ৫০ লাখ (২.৬৮ বিলিয়ন) মার্কিন ডলার, যা টাকায় প্রায় ৩২ হাজার ৭৫৬ কোটি। এর আগে আগস্টে রেমিট্যান্স আসে ২৪২ কোটি ২০ লাখ (২.৪২ বিলিয়ন) ডলার এবং জুলাইয়ে ২৪৮ কোটি (২.৪৮ বিলিয়ন) ডলার।
বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত ২০২৪-২৫ অর্থবছরে রেমিট্যান্সের প্রবাহে রেকর্ড তৈরি হয়। সে সময় প্রবাসী আয় দাঁড়ায় ৩০ দশমিক ৩৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে, যা আগের অর্থবছরের তুলনায় প্রায় ২৭ শতাংশ বেশি।
২০২৩-২৪ অর্থবছরে দেশে এসেছিল ২৩ দশমিক ৭৪ বিলিয়ন ডলারের রেমিট্যান্স। প্রবাসী আয়ের এই ধারাবাহিক বৃদ্ধি দেশের অর্থনীতিতে স্থিতিশীলতা এবং ডলারের সরবরাহে স্বস্তি এনে দিয়েছে।
এনএইচ